বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শ্যামনগরে শহীদ বুদ্ধিজীবী  ও বিজয় দিবসের প্রস্তুতি সভা বয়কট করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ

Reporter Name
Update Time : বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন

এস কে সিরাজ শ্যামনগর সাতক্ষীরা।।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে শহিদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবসের প্রস্তুতি সভা বয়কট করেছে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) বেলা ১২টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রতিবাদে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এই সভায় অংশ নেয়নি।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবী রঞ্জন মন্ডল, আহত ছাত্র মাসুম বিল্লাহ, আহত ছাত্রের অভিভাবকদের পক্ষে শেখ জাবের হোসেন, জামায়াত দলীয় সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, প্রেস ক্লাব সভাপতি সামিউল মনির, ছাত্র প্রতিনিধি মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও অপরাপর রাজনৈতিক দলসহ ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসব বিষয়ে উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ বলেন,  অনুপস্থিতির প্রথম কারণ স্মরণসভার চিঠি যথাযথ প্রক্রিয়ায় পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় সভার ব্যাপারে তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, যে শক্তি স্বাধীনতা তথা বিজয়ের বিরোধীতা করেছিল তাদের উপস্থিতিতে বিজয় দিবসের সভা প্রহসনের সামিল। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করে আমরা চলে এসেছিলাম। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের দলীয় লোকজন এবং আওয়ামী লীগের দোসরদের নিয়ে পূর্বে থেকে মিটিং করতেছিল। যারা বরাবরই স্বাধীনতা বিরোধী ছিল তাদেরকে নিয়ে মিটিং করা হয়েছে। বিএনপি’র মত একটি বড় দলকে অবহিত না করে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করাটার উদ্দেশ্য কি এটি আমাদের বোধগম্য নয়। এ ধরনের মিটিং এভাবে করাকে আমরা নিন্দা জানাই।
এসব বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ রনি খাতুন জানান, চিঠির প্রাপ্তি স্বীকারপত্র দেখানোর পর বিএনপি নেতৃবৃন্দ মোবাইলে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাক্রমে সবাইকে চিঠি দেয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বড় একটি দলের নেতৃবৃন্দ সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
##