সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জি এম রাজু আহমেদ
Update Time : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

 

রিপোর্ট: জি এম রাজু আহমেদ

 

উপকূলীয় জলবায়ু সংকট, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও অভিযোজন সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০২ মার্চ ২০২৬) সকালে শ্যামনগর উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে সারাদিনব্যাপী এক ব্যতিক্রমধর্মী “লোকালি লেড অ্যাডাপটেশন মেলা” অনুষ্ঠিত হবে। মেলাটি শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি ও ধুমঘাট সংলগ্ন পাইকের মোড় বিলে আয়োজন করা হবে।

আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় জনপদের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও নদীভাঙনের মতো বহুমাত্রিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে নিজেদের টিকে থাকার পথ তৈরি করেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চর্চাকে সামনে এনে নীতিনির্ধারক, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য।

মেলায় থাকবে মোট ১২টি প্রদর্শনী স্টল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

১. উপকূলীয় অঞ্চলের ঘাস নিড়ানি যন্ত্র ও অচাষকৃত উদ্ভিদ/আগাছা ব্যবস্থাপনা প্রদর্শনী

২. উপকূল ও হাওর অঞ্চলের মাছ ধরার উপকরণ

৩. স্থানীয় অভিযোজন কৌশল ও চর্চা

৪. বিলুপ্তপ্রায় উপকূলীয় সামগ্রী (সুন্দরবন যাদুঘর বিষয়ক প্রদর্শনী)

৫. আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উপকরণ (হাওর ও উপকূল)

৬. বনজীবী ও হাওর অঞ্চলের ব্যবহার্য সামগ্রী

৭. পরিবেশবান্ধব চুলা ও হাজল

৮. স্থানীয় জাতের বীজ, ধান ও চাল

৯. হস্তশিল্প

১০. মাটির তৈজসপত্র

১১. হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে উপকূলীয় সংকট, চর্চা ও প্রাণবৈচিত্র্য

১২. উপকূলীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি

এছাড়া সারাদিনব্যাপী জারি-সারি গান, স্থানীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, অভিনয়, চিত্রাঙ্কন ও দেয়ালিকা প্রদর্শনীর আয়োজন থাকবে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে উপকূলের মানুষের জীবনসংগ্রাম ও আশার গল্প তুলে ধরা হবে।

মেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে একটি নাগরিক সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে। এতে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে উপকূলীয় অভিযোজনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করবেন। সংলাপ থেকে স্থানীয়ভাবে নেতৃত্বাধীন অভিযোজন (Locally Led Adaptation) কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।

আয়োজকরা আরও জানান, স্থানীয় জলবায়ু সংকট ও জনগোষ্ঠীর দাবি-দাওয়া তুলে ধরে পৃথকভাবে একটি সংবাদ সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হবে।

উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই অভিযোজন উদ্যোগ জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে মেলায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।