বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন  শ্যামনগর ও কয়রাতে গোবরা হার্বোরিং/ ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

দিবস যায়, দিবস আসে নিরাপদ হয় না সড়ক

শেখ মহিউদ্দিন
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

 

 

শেখ মহিউদ্দিন (বাগেরহাট) জেলা প্রতিনিধি

 

প্রতিবছর ঢাকঢোল পিটিয়ে দেশে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা হয়। অথচ সড়কে প্রাণহানি কমছে না। দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে মানুষ পরিবার ও রাষ্ট্রের বোঝায় পরিণত হচ্ছেন। এখন সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ! আতঙ্ক নিয়ে সড়কে নামতে হয়। বাড়ি থেকে বেরিয়ে পরিবার ও আপনজনদের কাছে ফিরতে পারব কি না, শঙ্কা জাগে! এমন দুঃস্বপ্ন বহুদিন বহুকাল ধরে তাড়া করছে। ‘সড়ক দুর্ঘটনা বা রোডক্র্যাশ’ আমাদের জাতীয় জীবনে বড় ধরনের একটা নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে আছে। তৃণমূল থেকে উচ্চপর্যায়ে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে সোচ্চার হলেও কোথায় যেন একটা গলদ থেকে যাচ্ছে। অদৃশ্য একটা বলয় সব ইচ্ছার অপমৃত্যু ঘটাচ্ছে। এ কারণে সড়কের ভয়াবহতার লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। তাই বলতে হচ্ছে ‘দিবস যায় দিবস আসে নিরাপদ হয় না সড়ক’।

 

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় “ছাত্র জনতার অঙ্গীকার, নিরাপদ সড়ক হোক সবার”এ প্রতিপাদ্যেকে সামনে নিয়ে সার্ভিস বাংলাদেশের সচেতনতামূলক র‍্যালী শেষে সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

 

বক্তারা আরো বলেন, সড়কে কোনো শিক্ষার্থীর প্রাণ ঝরলে কেবল সড়ক নিরাপদ করার আন্দোলন গতি পায়। চলে কর্তৃপক্ষের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস ও আশার ফুলঝুরি। তারপর এক সময় ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে যায় সব। দিবস এলেও তা পোশাকি পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তবে, আশা করছি আগামীতে ছাত্র জনতার হাত ধরে আমাদের সকলের সচেতনতায় আমরা নিরাপদ সড়ক উপহার পাবো। এ জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন’।

 

সমাবেশটি ভ্যান রিক্সা, ইজিবাইক, টমটম, মোটরসাইকেল, নসিমন, অটোরিক্সাসহ সহ পরিবহন শ্রমিক ও পথচারীদের সাথে নিয়ে মোংলা সরকারী কলেজ’র সামনে সকাল সাড়ে ১০টায় এবং সাড়ে ১২টায় মাদ্রাসা রোডস্থ ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল স্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা সড়ক দূর্ঘটনাকে জাতীয় সমস্যা উল্লেখ করে চালকদেরকে যথাযথ ট্রেনিং এর ব্যাবস্থা,মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে হেলমেট ব্যবহার, রাতে হেডলাইট নিচের দিকে রাখা,ফিটনেসবিহীন গাড়ি না চালানো, মাদকাসক্ত ড্রাইভারদের গাড়ি না চলানো সহ নানান সচেতনতা মূলক আলোচনার মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীদের আগামীর বাংলাদেশে সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে ভূমিকা পালনে অনুরোধ করা হয়।

 

সার্ভিস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিলন’র সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৫নং ওর্য়াডের সাবেক কাউন্সিলর মো: এমরান হোসেন, সার্ভিস বাংলাদেশের উপদেষ্টা সরদার আব্দুল হান্নান, ইসলামী ট্রাস্টের সহ-সভাপতি মোঃ লোকমান হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব জানে আলম বাবু, উন্নয়ন কর্মী ডেভিট অপু মন্ডল, সমন্বয়ক খন্দকার তুরানুজ্জামান, মোঃ ফরহাদ হোসেন, জাহিদ মোল্লা, মাহফুজুর রহমান, নিজাম উদ্দিন সবুজ, মহাসীন ভূইয়া, সোহেল মাহমুদ, হাদিউজ্জামান জাহিদ, মাহমুদুল হক রমজান, মোঃ মারুফ (বাবু), ডলার মোল্লা, বিজয় দত্ত, মাহমুদ হাসান, মাসুদ হাওলাদার, মুজিবুর রহমান সজীব, সাইদুর রহমান শোভন, আসলাম হোসেন চয়ন, মাসুম বিল্লাহ শেখ মহিউদ্দিন সহ পরিবহন শ্রমিক,সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সাধারণ পথচারীবৃন্দ।

 

এর আগে চালনা বন্দর সিনিয়র ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসায় ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষকদের নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা, লিফলেট বিতরণ, কুইজ প্রতিযোগীতা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন চালনা বন্দর ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মুফতী মাওলানা জাকারিয়া রহমানী, মাওলানা আব্দুল আজিজ,অশ্রু রায়,মাওলানা আব্দুর রউফ, মাওলানা মফিজুল ইসলাম সহ অন্যান্য শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।