শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগর গাবুরা ৯ নম্বর সোরা সুইচগেটের পানি ওঠাকে কেন্দ্র করে মারপিট, আহত ২ সুন্দরবন সংলগ্ন কপোতাক্ষ থেকে বালু উত্তোলন, দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা রিডা হাসপাতাল শ্যামনগরের উদ্যোগে উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যদের সম্মানে ইফতার মাহফিল শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম 
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

ডুমুরিয়ায় আঠারোমাইল ঈসা কলেজে ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন। একাধিক ভুয়া নিয়োগ পত্রে অধ্যক্ষের মোটা অংকের বানিজ্য

শেখ মাহতাব হোসেন
Update Time : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

 

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

সমাজ কল্যাণে যশোর শিক্ষা বোর্ডের কোন অনুমতি ছিল না আঠারোমাইল সৈয়দ ঈসা টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে। সংস্কৃত বিভাগে এখনও কোন অনুমতি নেই। অথচ পত্রিকায় দেওয়া হয়েছে ভ’য়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। গঠন করা হয়েছে সাজানো নিয়োগ বোর্ড। আবার অনেককে ভূয়া নিয়োগ পত্র দিয়েও দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা।

২০০৯ সালের ১৮ জুলাই পূর্বাঞ্চল পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ডুমুরিয়ার আঠারোমাইল সৈয়দ ঈসা টেকনিক্যাল এন্ড বি এম কলেজে সমাজ কল্যাণ, মনোবিজ্ঞান, সংস্কৃত ও পরিসংখ্যান বিষয়ে প্রভাষক নিয়োগ দেওযা হবে। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে ডুমুরিয়া সরকারি বালিকা উ”চ বিদ্যালয়ে ভূয়া ছএকটি নিয়োগ বোর্ড গঠন করা হয়। ওই নিয়োগ বোর্ডে ওই প্রতিষ্ঠানের এক প্রভাষককে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজানো হয়। ওই ভূয়া নিয়োগ বোর্ডে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাধালবাজারের কাঠীপাড়া গ্রামের নির্মল কর্মকারের মেয়ে বিউটি কর্মকারকে সমাজ কল্যাণের প্রভাষক পদে ভূয়া নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়। বিনিময়ে টাকা নেওয়া হয় ৮ লাখ টাকা। ওই টাকা জিরো পয়েন্টের আবু তাহেরের হোটেলে বসে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। খুলনা মহানগরীর বানরগাতি এলাকার কাজী সাজ্জাদ হোসেনকে পদার্থ বিদ্যা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে ভ’য়া নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়। তালা সুভাষিনী গ্রামের মকরুজ্জামানকে কৃষি ডিপ্লোমার পিয়ন পদে ভ’য়া নিয়োগ দিয়ে ৪ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহন করে। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট ভূয়া নিয়োগ প্রমানিত হয় এবং টাকা ফেরত দিতে সময় বেধেঁ দেয়। শিরাশুনী গ্রামের মৃত রফিক মাষ্টারের ছেলে সাইদুল ইসলামের কাছ থেকে কৃষি ডিপ্লোমার পাওয়ার টিলারের ড্রাইভার পদে ভূয়া নিয়োগ দিয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা উৎকোচ নেয়। অধ্যক্ষের আপন ভাই ডাঃ আবুল হোসেনের মধ্য¯’তায় সুভাষিনী বাজারে তার চিকিৎসালয়ে বসে ওই টাকা ফেরত দেয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আল-আমিন বলেন, চলতি সপ্তাহে তদন্ত শেষ হবে। তদন্তে সত্যতা পেলে কঠিন ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।