মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে ড. মনিরুজ্জামানের নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত শ্যামনগর পল্লীসঞ্চয় ব্যাংক ম্যানেজার ও কর্মচারী হরির সুদ বানিজ্য জাল ষ্টাম্প ও রেভ্যিনিউ ষ্টাম্প বিক্রির কারনে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব ,ঋণ গ্রহিতারা হচ্ছে সর্বশান্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী সাবেক  এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি শ্যামনগরে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত কৈখালী সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ১২টি ভারতীয় এয়ারগানসহ বিপুল সরঞ্জামাদি উদ্ধার আভিযানিক সফলতা ও নির্বাচন নিরাপত্তা নিয়ে ১৭ বিজিবির প্রেস ব্রিফিং কক্সবাজারে আর্গন এ্যানিম্যাল হেলথ লিমিটেডের বর্ণাঢ্য বার্ষিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে সর্ব বৃহৎ জনসভাকে কেন্দ্র করে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে শ্যামনগরে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ “কৈখালী হবে শ্রমজীবী মানুষের নিরাপদ ঠিকানা”—নির্বাচনী জনসভায় গাজী নজরুল ইসলাম
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শ্যামনগর পল্লীসঞ্চয় ব্যাংক ম্যানেজার ও কর্মচারী হরির সুদ বানিজ্য জাল ষ্টাম্প ও রেভ্যিনিউ ষ্টাম্প বিক্রির কারনে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব ,ঋণ গ্রহিতারা হচ্ছে সর্বশান্ত

ভয়েস অফ সুন্দরবন
Update Time : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন

রিপোর্ট: ভয়েস অফ সুন্দরবনের

শ্যামনগর পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ম্যানেজার ও কর্মচারী হরির সুদবানিজ্য,জাল ষ্টাম ও রেভ্যিনিউ টিকিট ব্যবসা চরমে ।সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব ঋণ গ্রহিতারা হচ্ছে হয়রানী ।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ঋণ গ্রহিতা ও ঋণ পরিশোধকারীরা জানান, সদ্যরা ঋণ নিতে ব্যাংক ম্যানেজার আলতাফ হোসেনের কাছে আসলে তিনি পাঠিয়ে দেন ঐ অফিসের কর্মচারী পরিচায়দানকারী বারান্দায় চেয়ার টেবিল, ষ্টাম্প ,রেভ্যিনিঊ ষ্টাম্প নিয়ে বসে থাকা হরির নিকট । ঋণ গ্রহিতারা হরিকে বলেন ,ঋন নেওয়ার জন্য জন্য হরি ৩শ টাকার নন জুডিশিলাল ষ্টাম্প নেওয়ার জন্য বলেন,এবং হরি টাকা নিয়ে জাল ষ্টাম্প দেন বলে ঋণ গ্রহিতারা জানান। এছাড়া ঋণ পরিশোধ করতে গেলে টাকা কম থাকলে ম্যানেজার পাঠিয়ে দেন হরির নিকট হরি বলেন, হাজারে প্রতিদিন ৩শ থেকে ৫শ টাকা সুদ দিলে টাকা দেওয়া যাবে। গ্রাহকরা ঋণ পরিশোধ করে পূনরায় ঋণ নেওয়ার জন্য টাকা পরিশোধ করতে উপায়ান্তর না পেয়ে হরিকে হাজার প্রতি ৩শ থেকে ৫শ টাকা সুদ দিয়ে টাকা নেন।খোজ নিয়ে জানা গেছে ঐ টাকা সম্পূর্ণ ম্যানেজার আলতাফ হোসেনের ।এব্যাপারে হরির সাথে কথা হলে হরি বলেন ম্যানেজার আলতাফ স্যার আমাকে বেতন দেন মাত্র ।আমি অফিসের কর্মচারী নয়। এব্যাপারে কথা হয় ম্যানেজার আলতাফ হোসেনের সাথে তিনি বলেন,হরি আমার অফিসে বসেন ঠিকই কিন্ত সে আমার অফিসে চাকুরী করেন না ।অফিসের কর্মচারীরা বলেন ,হরি স্যারের লোক যে কারনে আমরা কিছু বললে স্যার আমাদের চাকুরি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন।