সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী গাজী নজরুল ইসলাম-এর সঙ্গে শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

এবার কুড়িগ্রামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা

Reporter Name
Update Time : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন

ন্যাশনাল ডেস্ক।।

এবার কুড়িগ্রামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও উলিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানুল হককে আসামি করে মানহানির মামলা হয়েছে। রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (উলিপুর আমলি আদালত) মামলাটি করেন জেলার উলিপুর উপজেলা বিএনপির কার্যকরী কমিটির সদস্য ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মঞ্জুরুল কাদের মমিনুল।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে উলিপুর থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদীর আইনজীবী নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আবেদনে বাদী দাবি করেছেন, উলিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডা. রেজওয়ানুল হক একজন সরকারি কর্মচারী হয়ে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ নির্দেশে আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। ২০২৪ সালের ১৫ মে উলিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বাদী মঞ্জুরুল কাদের মমিনুল উপস্থিত ছিলেন। তিনি (মমিনুল) বিএনপি দলীয় হওয়ায় ইউএলও ডা. মো. রেজওয়ানুল হক তাকে ও বিএনপিকে উদ্দেশ করে গালিগালাজ করেন।

গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়াকেও গালিগালাজ করেন। এমনকি বিএনপির সৃষ্টি নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সামনে এমন গালিগালাজের ঘটনায় সমাজে বাদী এবং তার দলের নেতা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার যথেষ্ট মানসম্মানের ক্ষতি হয়েছে, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় ১০ কোটি টাকাতেও পূরণ করা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় মামলা গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির আবেদন করেন বাদী।

বাদীর আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আদালত মামলাটি গ্রহণ করে উলিপুর থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেছেন।’

এদিকে আইনজ্ঞরা বলছেন, একজন সরকারি কর্মচারীর ‘গালিগালাজ করার’ দায় অন্য কাউকে দিলে তাতে অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘আদালত মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত যেহেতু মামলাটি সরাসরি আমলে নেননি, সেহেতু অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা থাকতে পারে, আবার নাও থাকতে পারে। সাবজুডিস ম্যাটার হওয়ায় মন্তব্য করা সমীচীন নয়।’