বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে শ্যামনগরে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ “কৈখালী হবে শ্রমজীবী মানুষের নিরাপদ ঠিকানা”—নির্বাচনী জনসভায় গাজী নজরুল ইসলাম আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা শ্যামনগরে লোনা পানি প্রবেশের প্রতিবাদে নারীদের ওপর হামলা, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা কাশিমাড়ি ইউনিয়নে জিয়া সাইবার ফোর্সের নির্বাচনি প্রচারণা আভিযানিক সফলতা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ বিজিবি মোতায়েন উপলক্ষ্যে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি প্রেস ব্রিফিং  শ্যামনগরে লবণ পানি উত্তোলন বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ, হামলায় তিন নারী আহত শ্যামনগরে ধানের শীষের প্রার্থী ডা. মনিরুজ্জামানের বিশাল নির্বাচনী জনসভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী জনসভা শ্যামনগর ফায়ার সার্ভিসের সামনে সওজের জমি পুনরায় জবরদখল উচ্ছেদের কয়েক দিনের মধ্যেই ফের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শ্যামনগরে কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও স্বজনপ্রিতীর অভিযোগ উঠেছে 

Reporter Name
Update Time : বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

 

রিপোর্ট – ভয়েজ অফ সুন্দরবন।
সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে সরকারি প্রণোদনা বিতরনে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রয়েছে সার, বিষ ডিলারদের নিকট থেকে মাসিক মাসোয়ারা নেয়ার অভিযোগ ও। এদিকে প্রকৃত প্রান্তিক ক্ষুদ্র কৃষরা বরাবরই সরকারী প্রনোদনা সার বীজ থেকে বঞ্চিত  হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা ও শ্যামনগর পৌর সভার দ্বায়িত্বে থাকা আহসান উল্লাহ রীতিমতো একটি নিজস্ব বলয় তৈরী করেছেন আর তাদের মাধ্যমে সরকারি কৃষি প্রনোদনা সার বীজ সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন।ওনাদের সাথে যাদের সু-সম্পর্ক  গড়ে উঠেছে তাদের কে সরকারি এ কৃষি প্রনোদনা দেয়া হয়ে থাকে এমন অভিযোগ প্রান্তিক ক্ষুদ্র কৃষকদের । যার কারনে সরকারের আসল উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হচ্ছে না।পৌর সভার মাহমুদপুর এলাকার কৃষক সবুরা খাতুন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে দুই বিঘা জমিতে ধান, সরিষা ও ডাল চাষ করে আসছি কিন্তু কোন দিন এক কেজি সার পায়নি,বাড়ীর পাশে রহিম ভাই কৃষি অফিস থেকে সার বীজ নিয়ে আসে তার কাছ থেকে  আমি একটু কম দামে সার বীজ কিনে থাকি। শ্যামনগরের শব্জি গ্রাম হিসাবে পরিচিত হাটছোলা গ্রামের এক কৃষক নাম প্রকাশে অনাচ্ছুক তিনি বলেন,উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ আমাদের এলাকায় মাঝে মধ্যে আসেন, ওনার নিজস্ব কিছু লোকজন আছেন, তাদের কে ছাড়া আমাদের ওনি চেনেন না, তাদের কে ওনি সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন,আমাদের ধারে পাশে আহসান উল্লাহ স্যার আসেন না,কারন আমরা তার কোন সুযোগ সুবিধা দিতে পারিনা।তিনি আরো বলেন, ওনার নিজস্ব লোকজন দিয়ে সরকারের কৃষি প্রনোদনা সার বীজ বাহিরে বিক্রী করে থাকেন এবং ওনাকে প্রত্যেক সপ্তাহে ব্যাগ ভর্তি শাক শব্জি দিতে হয়। প্রকৃত পক্ষে সরেজমিনে যেয়ে দেখা গেছে, যারা প্রান্তিক ক্ষুদ্র কৃষক আছেন, তাদের পাশে কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা ও তার সহযোগী কর্মকর্তারা কোন দিন যান না, তাদের সুবিধা, অসুবিধা ও কোন পরামর্শ কৃষকদের দেন না ।যার কারনে প্রকৃত প্রান্তিক ক্ষুদ্র কৃষকরা বরাবরই সরকারী কৃষি প্রনোদনা থেকে বঞ্চিত  হচ্ছে। এ দিকে সরকারি কৃষি প্রনোদনা  নিয়ে জন প্রতিনিধীদের সাথে কোন মিটিং করা হয় না, কাউকে প্রকৃত মোট বরাদ্দের তথ্য দেয়া হয় না,মৌখিক ভাবে একটি বরাদ্দ জানিয়ে দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে লাম ছাম কিছু কৃষকদের তালিকা নেয়া হয়,এমনটি জানিয়েছে একাধিক জনপ্রতিনিধীরা আর অধিকাংশ কৃষি প্রনোদনা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে স্বজন প্রিতীর দ্বারা অকৃষকদের হাতে তুলে দেয়া হয় এবং আরো একটি অংশ নিজস্ব ডিলারের কাছে তাদের মাধ্যমে বাহিরে বিক্রী করে দেয়া হয় এমন অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে । এদিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা অধিকাংশ হাট বাজার, ইউনিয়ন ও ওযার্ড পর্য্যায় সার, বীজও কীটনাশক এর দোকান গড়ে উঠেছে। সরকারি বৈধ ডিলার ছাড়াই তারা বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ব্যবসা। যার কারনে ভেজাল সার বীজে ভরে গেছে পুরো উপজেলার জনপদ, সে কারনে কৃষি ফসল ফলাতে সাধারন কৃষকরা প্রায় ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এদের নিকট থেকে কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা ও তার উপ- সহকারী কর্মকর্তারা মাসিক মাসোয়ারা নিচ্ছেন। যার কারনে এই কৃষি কর্মকর্তা আসার পর একদিন ও কোন ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয় নি। এছাড়া প্রান্তিক ক্ষুদ্র কৃষকদের ট্রেনিংয়ের জন্য সরকারী আসা লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ ও  তিনি খাতা কলমে ঠিক রেখে আত্মসাৎ করে চলেছেন। শ্যামনগরের অধিকাংশ প্রান্তিক কৃষকরা  দীর্ঘদিন ধরে শ্যামনগরে অবস্থানরত কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদার কার্য্যক্রমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, দ্রুত এই কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা অপসারন করার, তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা তাকে অপসারণ করবেই এমনটি জানিয়েছে কয়েকটি কৃষক সংগঠনের সদস্যরা। ##