শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগর উপজেলা জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের নতুন ১১৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন, সরকারী হাসপাতালের কোলঘেষা আনিকা প্রাইভেট ক্লিনিকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ, ক্লিনিক সীলগালা করার নির্দেশ সিভিল সার্জনের  নিরাপত্তার চাদরে সাতক্ষীরার সীমান্ত জনপদ, ১৭ বিজিবির ব্যাপক তৎপরতা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে সাতক্ষীরার সীমান্ত জনপদ, ১৭ বিজিবির ব্যাপক তৎপরতা চিংড়ী শিল্প বাঁচানোর দাবিতে সীমান্তবর্তী শ্যামনগরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  মাত্র ২০০ টাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা-কালিগঞ্জে মানুষের পাশে দাঁড়াল রিডা হাসপাতাল শ্যামনগরে ৫ই আগস্টের সুযোগে প্রবাসীর বসতভিটা ও দোকান জবর দখলের অভিযোগ সাতক্ষীরা ৪ আসনে আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষ্যে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের “নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত” ঐক্যবদ্ধ বিএনপি ধানের শীর্ষ কে জেতাতে সাতক্ষীরা -৪ আসনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষনা দিলো সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে  শ্যামনগরে এসএম হাবিবুর রহমান লিটনের উদ্যোগে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জরুরি এম্বুলেন্স সেবা চালু ‎
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

শেখ মাহতাব হোসেন
Update Time : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

 

ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি

সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ও সাবেক ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের শিকার নারীকে খুমেক হাসপাতাল থেকে ফিল্মিস্টাইলে অপহরণের অভিযোগে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আব্দুস ছালাম খান এ আদেশ দেন। এ ছাড়া এজাহারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজের বিরুদ্ধে ধর্ষণেরও অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ। গত ২৭ জানুয়ারি রাতে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ওই নারী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরদিন হাসপাতালের ওসিসির সামনে থেকে কয়েকজন লোক জোরপূর্বক ভুক্তভোগীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

আদালতে বাদি অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা সাবেক ভূমি মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের ঘনিষ্ঠ সহচর ও অনুসারী। তাদের বাঁচাতে মন্ত্রী অবৈধ প্রভাব বিস্তার করায় চিকিৎসা শেষ হওয়ার পূর্বে তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়। এরপর তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়। আসামিরা অত্যন্ত ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি আইনের আশ্রয় লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। বর্তমান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে তিনি ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় আবার মামলা করেছেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোমিনুল হক বলেন, ২৭ জানুয়ারি ধর্ষণের শিকার ভূক্তভোগী ওই নারী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরেরদিন হাসপাতালের ওসিসির সামনে থেকে তাকে প্রকাশ্যে ফিল্মস্টাইলে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। একটা মেয়ে ধর্ষণ করা হয় এবং তাকে অপহরণ করে বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়। বর্তমানে আইনের শাসন পূনপ্রতিষ্ঠা হওয়ায় মেয়েটি আমাদের কাছে আসে। এখন সে ভয়-ভীতি থেকে মুক্ত হয়েছে এবং সত্য কথা বলার জন্য সে প্রস্তুত। তার বক্তব্য শুনে আমরা নারী ও শিশু আইনে অপহরণ করা এবং সহযোগিতা করার জন্য আদালতে মামলার আবেদন করি। আদালত শুনানি শেষে সোনাডাঙ্গা থানাকে মামলা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। এজাহারে উল্লেখিত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।