সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

সাঘাটায় যৌথবাহিনীর অভিযান  ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেফতার ৫, মৃত্যু ২

ফয়সাল রহমান জনি
Update Time : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন

 

 

ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

গাইবান্ধার সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোশারফ হোসেন সুইটসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। আহতদের মধ্যে সোহরাব হোসেন আপেল ও শফিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার ভোররাতে যৌথবাহিনী সাঘাটার গোবিন্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোশারফ হোসেন সুইট, সোহরাব হোসেন আপেল, শফিকুল ইসলাম, বাশহাটা গ্রামের সাহাদৎ হোসেন পলাশ ও উত্তর সাথালিয়া গ্রামের রিয়াজুল ইসলাম রকিকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছে অস্ত্র উদ্ধারে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় এবং কয়েকটি দেশীয় ছোরা ও রামদা উদ্ধার করে। সকালে গ্রেফতারকৃতদের সাঘাটা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।

এসময় গ্রেফতারকৃতরা অসুস্থ হয়ে পড়লে থানা পুলিশ সকালে সাঘাটা হাসপাতালে ভর্তি করে। তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শফিকুল ইসলাম ও রিয়াজুল ইসলাম পলাশকে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অন্যদের গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করে। বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে শফিকুল ইসলাম ও গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে সুইট চেয়ারম্যানের ভাতিজা সোহরাব হোসেন আপেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

নিহত স্বজনদের দাবি গ্রেফতার পর শারীরিক নির্যাতনের ফলে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এবিষয়ে তারা আইনের আশ্রয় নিবে বলে জানা গেছে। তবে লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন না হওয়ায় এখনও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোশারফ হোসেন সুইট জানান, অস্ত্র উদ্ধারের নামে আমার ভাতিজা, বাড়ির কাজের ছেলেসহ আটকদের আমার জিম্মায় দিবে বলে লিখিত নেয়। এরপর কয়েকঘণ্টা চলে অমানুষিক নির্যাতন। নির্যাতনের ফলে ভাতিজা আপেল ও কাজের ছেলে শফিকুলের মৃত্যু হয়েছে।

সাঘাটা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম গ্রেফতার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতরা অসুস্থ হওয়ায় দু’জনকে বগুড়া হাসপাতালে ও চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে গাইবান্ধা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. মোশারফ হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেফতারের পর তারা অসুস্থ হয়ে পরে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.মাহবুব হোসেন জানান, ময়না তদন্তের পর জানা যাবে মৃত্যু প্রকৃত কারণ।