বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন  শ্যামনগর ও কয়রাতে গোবরা হার্বোরিং/ ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

বেনাপোলের ট্রিপল হত্যা মামলায় চার ভাইসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন

মনির হোসেন
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন

 

 

 

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি :-

বেনাপোল পোট থানা বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বুদো সরকার, আজগার আরী ও আব্দুল্লাহ মেম্বার খুনে পাঁচজন আসামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার যশোরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম তিন আসামির উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিপি এম ইদ্রিস আলী।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন চারভাই রঘুনাথপুর গ্রামের নাসির উদ্দিন নাসু, ফুলছদ্দিন ওরফে কটা, আলাউদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন ও একই গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ঈমান আলী। এছাড়া এ মামলায় ওই চার ভাইয়ের বাবা আব্দুর রহমানকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।

 

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে বেনাপোলের রঘুনাথপুরে ব্যাপক ঝড় হয়। এতে রাস্তার বিভিন্ন গাছ উপড়ে পড়ে। তা বিক্রি করে এলাকার মসজিদের ফান্ডে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় দু’পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ হয়। ২৪ এপ্রিল সকালে গাছের ডাল কাটতে যান ওই এলাকার নছু, আলাউদ্দিনসহ আরও কয়েকজন। এ সময় আরেকপক্ষ আব্দুল্লাহ, শমসের আলী বুদো, আজগার আলীসহ অন্যরা এসে ওই গাছ কাটতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দু’পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

আসামিরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে আব্দুল্লাহ, বুদো, আজগার, সুমনসহ আরও কয়েকজনকে গুরুতর জখম করেন। ঘটনাস্থলেই মারা যান আব্দুল্লাহ মেম্বার। পরে স্বজনরা অন্যদের উদ্ধার করে হাসতাপালে নেয়ার পথে মারা যান আজগার আলী। পরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে মারা যান বুদোও। এ ঘটনায় নিহতদের স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত আসামিদের ৩টি বসত বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় নিহত আব্দুল্লার ভাই আব্দুল খালেক বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় ওই ছয়জনসহ সালমান শাহ নামের আরেক যুবককে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করেন পোর্ট থানার এসআই দীন মোহাম্মদ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান। তিনি তদন্ত শেষে ওই সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

 

মামলায় সকলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত এই মামলায় ২৬ জনের সাক্ষ গ্রহণ করেন।

 

রোববার ২০অক্টোবর এ মামলার রায় ঘোষণার দিনে তিন আসামি রহমান, আলাউদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিনের উপস্থিতিতে আদালত পাঁচজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড এবং একজনকে খালাস প্রদান করেন আদালত। মামলার অপর আসামি সালমান শাহ শিশু হওয়ায় শিশু আদালতে তার বিচার চলছে।

মামলায় আসামিপক্ষের কৌশুলি ছিলেন অ্যাডভোকেট আরিফুল ইসলাম শান্তি।#