বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন  শ্যামনগর ও কয়রাতে গোবরা হার্বোরিং/ ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

পলাশবাড়িতে ফকিরহাট মহিলা কলেজে  পরীক্ষার্থী মাত্র দুজন, দুজনই অকৃতকার্য

ফয়সাল রহমান জনি
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

 

ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি। এই কলেজ থেকে মাত্র দু’জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। গত বছরও কলেজটি থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। ১৫ অক্টোবর দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফকিরহাট মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবু তাহের খন্দকার নব। তিনি বলেন, ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে দুই শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই দুই শিক্ষার্থী ফকিরহাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা সমপন্ন করে। কিন’ প্রকাশিত ফলাফলে তারা দুইজনই অকৃতকার্য হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কলেজটি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র পাঠদানের অনুমতি নিয়ে কলেজটি চালানো হচ্ছে। এরইমধ্যে কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগসহ সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।

স’ানীয়রা অভিযোগ করে জানান, কলেজটির নিজস্ব কোনো জায়গা এবং অবকাঠামো নেই। কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা তাহের খন্দকার তার বড় ভাইয়ের জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছেন। কিছুদিন আগে সেই জমিও দখলে নেন তার ভাই। বর্তমানে কলেজে কোনো ছাত্রছাত্রী নেই। অথচ শুধু সাইনবোর্ড দেখিয়ে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবু তাহের খন্দকার নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছেন।