বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন  শ্যামনগর ও কয়রাতে গোবরা হার্বোরিং/ ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা!

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন

ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা!

 

 

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা নঈমুদ্দিন সেন্টু (৫৫) কে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করেছে।

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে তার নিজ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চেয়ারম্যান সাহেব প্রতিদিনের মত নিজ কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। এ সময় ৮/১০ জন দুর্বৃত্ত মোটর সাইকেল যোগে এসে সরাসরি চেয়ারম্যানের কক্ষে প্রবেশ করে এবং বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি করে চলে যায়। এরপর আমরা চেয়ারম্যান সাহেবকে মৃত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি।

ফিলিপনগর ইউপি চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিন সেন্টুর ভাতিজা শিহাব সরকার জানান, এলাকার একটি পক্ষের সাথে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে চেয়ারম্যান সাহেবের মতপার্থক্য চলছিল। তারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

দৌলতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সেখানকার পরিস্থিতি থমথমে অবস্থায় রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

স্হানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান নইমুদ্দিন সেন্টুর সাথে বিরোধ চলে আসছিল স্হানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে। সরকার পরিবর্তনের পর তা আরও প্রকট হয়। স্হানীয়রা ধারণা করছেন বিএনপির সন্ত্রাসীরা এ হত্যাকান্ড ঘটাতে পারে।