বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন  শ্যামনগর ও কয়রাতে গোবরা হার্বোরিং/ ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজ, ৪২ ছাত্রছাত্রী আটক

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

রিপোর্ট: স ম জিয়াউর রহমান

 

 

ভৈরবে অবৈধ রেস্টুরেন্ট ও কফি হাউজে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। কাপড় দিয়ে ঘেরা এসব রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজের অভিযোগে ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরে অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে উপজেলার মানিকদী ও কুলিয়ারচর সংযোগ জিল্লুর রহমান সেতু এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার জিল্লুর রহমান সেতু সংলগ্ন মানিকদী এলাকার ৮টি রেস্টুরেন্টে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তথ্য ছিল- শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে এসব রেস্টুরেন্টে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে। সেনাবাহিনী রেস্টুরেন্টগুলোতে গিয়ে এর সত্যতা পায়। ওখানে প্রতিটি রেস্টুরেন্টের প্রতিটি কক্ষ কাপড় দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ছিল। এ সময় অনৈতিক কার্যকলাপরত অবস্থায় ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে এনে তাদের সন্তানরা যে ভুল পথে এগোচ্ছে তা তাদের অবগত করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা আটককৃত ছাত্রছাত্রীদের জীবন-জীবিকা সম্পর্কে বাস্তবতা নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা কখন কোথায় যাচ্ছে তা আমাদের নজর রাখতে হবে। রেস্টুরেন্টগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের দেখে আমি অবাক হয়েছি। ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকসহ সবার মুচলেকা গ্রহণ করে তাদের অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করেছি। এছাড়াও রেস্টুরেন্ট মালিকদের পরবর্তীতে এ ধরনের কোনো অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া রেস্টুরেন্ট মালিকদের পর্দা ব্যবহারে বিধিমালাও প্রদান করা হয়েছে। এ সময় অপ্রয়োজনীয় ও অনৈতিক কার্যকলাপে ব্যবহৃত পর্দাগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।