বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ দফা দাবিতে বিডিআর কল্যাণ পরিষদের স্মারকলিপি প্রদান ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,
Update Time : বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন

 

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ,,

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ বিডিআর সদস্যদের চাকুরীতে পুন:বহাল করা এবং কারাবন্দি বিডিআর সদস্যদের মুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ঐ ঘটনায় ঘতিগ্রস্থ সাবেক বিডিআর সদস্যরা ঠাকুরগাঁও জেলা কালেক্টরেট চত্বরে জড়ো হয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এ স্মারকলিপি পেশ করেন। বিডিআর কল্যাণ পরিষদ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আয়োজনে পিলখানার ঘটনার সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ সদস্যদের পক্ষে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন হাবিলদার মো: হারুন-অর-রশিদ। পরে ৮ দফা দাবি সম্বিলিতি স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানার পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: সোলেমান আলীর হাতে তুলে দেন।

৮ দফা দাবিগুলো হলো:- বিডিআর পিলখানা সংগঠিত পরিকল্পিত হত্যাকন্ডকে তথাকথিত বিদ্রোহ সংঙ্গায়ীত না করে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড হিসেবে আখ্যায়িত করা, এ ঘটনায় গঠিত সকল প্রহসনের বিশেষ আদালতে নির্বাহী আদেশ বাতিল করা, চাকুরীচ্যুত সকল পদবীর নিরপরাধ বিডিআর সদস্যকে সুযোগ সুবিধা সহ চাকুরীতে পুন:বহাল করা, হত্যাকান্ড মামলার মহামান্য হাইকোর্টের বিচারকগণের রায়ের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী পিলখানার হত্যাকান্ডের ঘটনার মোটিভ উদ্ধার ও কুশিলবদের সনাক্তকল্পে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা, এ ঘটনায় শাহাদাৎ বরণকারী ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে শহীদের মর্যাদা দেওয়া, ২৫ শে ফেব্রুয়ারী দিনটিকে পিলখানার ট্রাজেডি দিবস হিসেবে ঘোষনা, এ ঘটনার পরবর্তী তদন্ত/জিজ্ঞাসাবাদে নিরাপত্তা হেফাজতে যে সকল নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের নির্যাতন পূর্বক হত্যা করা হয়েছে তাদের তালিকা প্রকাশ পূর্বক মৃত সকল পদবীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ সহ পুণর্বাসন করা এবং বিশেষ আদালত কর্তৃক বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষকারী নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের প্রহসনের বিস্ফোরোক মামলায় দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ কারা অন্তরীন আছে, তাদেরকে জামিন অথবা অব্যাহতি পূর্বক মুক্ত করার দাবি।