বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
দলিত নারী ও কিশোরীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন 
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি, পুজোয় কবে মিলবে পদ্মার রুপোলি শস্য  

মনির হোসেন
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

 

 

 

 

 

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:

প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসতে থাকে। তবে এবার অনিশ্চয়তার মধ্যেও কিছুটা আশার আলো দেখা গিয়েছে। ফিস ইমপোর্টার অ্য়াসোসিয়েশন ভারত। ইলিশ রফতানির জন্য় আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের কাছে।

 

এবার ৯ থেকে ১৩ অক্টোবর দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। পুজো মানেই খাওয়া দাওয়া। পুজো মানেই ইলিশ মাছ। আর ইলিশ মাছ মানেই সেই পদ্মার ইলিশ। কিন্তু এবার পুজোর আগে কি বাংলাদেশের ইলিশ এপার বাংলায় আসবে? এই প্রশ্ন ওঠাটা এবার সঙ্গত। কারণ এবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। প্রতিবার শেখ হাসিনা সরকার ভারতে ইলিশ পাঠানোর ব্যবস্থা করতেন। তবে এবার পরিস্থিতি একেবারেই অন্যরকম। এবার হাসিনা আর সরকারে নেই। বাংলাদেশ ছেড়েও চলে গিয়েছেন। ইলিশ কি আসবে এপার বাংলায় ভারতে

 

গত ৫ বছর ধরে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। এবারও সেই রীতি মেনে ভারতে ইলিশ পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে আবেদন করেছে ফিস ইমপোর্টার অ্য়াসোসিয়েশন।

 

এদিকে বাংলার পাশাপাশি ত্রিপুরা ও অসমে যায় বাংলাদেশের ইলিশ। বছর ভর এপার বাংলার মানুষ বাংলাদেশের ইলিশের জন্য মুখিয়ে থাকেন। আর বাংলাদেশের ইলিশ হলে পুজো একেবারে জমে যায়। গত বছরও ১৩০০ মেট্রিক টন ইলিশ এসেছিল বাংলাদেশ থেকে। তবে এবার কতটা ইলিশ আসবে, আদৌ আসবে কিনা তা নিয়ে এখনও কোনও নিশ্চয়তা মেলেনি।

 

অনেকের মতে অন্তর্বর্তী সরকার আসার আগে থেকেই বাংলাদেশে ভারত বিরোধী হাওয়া বইতে শুরু করেছিল। তবে এবার সেই হাওয়া কি ইলিশের উপরেও পড়বে? এসব নিয়ে চর্চা একেবারে তুঙ্গে।

 

 

তবে দাম যতই বেশি হোক অনেকেই বাংলাদেশের ইলিশ কিনে থাকেন। অনেকের কাছে বাংলাদেশের ইলিশ ছাড়া যেন উৎসব সম্পূর্ণ হয় না। অনেকে আবার যাঁরা শেকড় ছিঁড়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছিলেন তাঁদের কাছে এই পদ্মার ইলিশ যেন কিছুক্ষণের জন্য ফেলে আসা ভিটে মাটির সোঁদা গন্ধ বয়ে আনে।

 

তবে এবার প্রশ্ন ইলিশ আসবে কি না বাংলাদেশ থেকে? কতটা ইলিশ আসবে? সেই ইলিশের দাম কি মধ্য়বিত্তের নাগালের মধ্যে থাকবে? পুজোর আগে আসবে নাকি তার দিনের কোনও পরিবর্তন হবে?

 

এসব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। তবে পদ্মার ইলিশ এপারে এলে খুশি হন মৎস্যব্যবসায়ীরাও। কারণ এই ইলিশ বিক্রি করে লাভ অনেকটাই হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে গোটা বিষয়টিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।