সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে বিক্রি খোলা খাবার,বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি, সচেতনতা বৃদ্ধির পরামর্শ !

মোঃ মজিবর রহমান শেখ
Update Time : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রকাশ্যে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খোলা খাবার বিক্রি করছেন ফেরিওয়ালারা। ঠাকুরগাঁও জেলার ৫ টি উপজেলার মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল এ হাসপাতাল। চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনরা বলছেন, প্রকাশ্যে এভাবে খোলা খাবার বিক্রিতে হুমকির মুখে পড়তে পারে জনস্বাস্থ্য। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি এসব খাবার না কেনারও পরামর্শ দেন তারা। সরেজমিনে দেখা যায়, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে প্রকাশ্যে একটি খোলা ট্রেতে প্রতি পিস নারকেল ১০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে; যা দেখে অনেক শিশু খাওয়ার জন্য বায়না ধরছে। উপায় না পেয়ে অস্বাস্থ্যকর এসব খাবার কিনে দিচ্ছেন অভিভাবকরা। কাছে গিয়ে পরিচয় জানতে ও ছবি তুলতে গেলেই ক্যামেরা দেখে পালিয়ে যান সেই নারিকেল বিক্রেতা। শুধু মেডিসিন বিভাগে নয়, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিক্রি করা হচ্ছে চাল ভাজা, চানাচুরসহ বিভিন্ন রকমের খাবার। ভবনের বাইরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, পুরাতন ভবনের নিচেও চোখে পড়ে আরও বেশ কিছু ফেরিওয়ালা। রোগী ও স্বজনদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে এসব খাবার। রোগীর স্বজনরা বলছেন, এসব ফেরিওয়ালা কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করেন না।

ভিতরে বিক্রি হচ্ছে খোলা খাবার। দেখার যেন নেই কেউ। খোলা খাবার বিক্রি দ্রুত বন্ধের দাবি রোগাী ও স্বজনদের।