বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন  শ্যামনগর ও কয়রাতে গোবরা হার্বোরিং/ ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

পদত্যাগে বাধ্য করানো অধ্যক্ষ কে চারদিন পরে যোগদান

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

 

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা সাকোয়া জামিলাতুন নেশা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মফিজ উদ্দিন কে গত ২৭ আগস্ট বহিরাগত ছাত্র-ছাত্রীরা জোর করে পদত্যাগ করান,এতে করে সাকোয়া এলাকার সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে চারদিন পর উক্ত মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা অধ্যক্ষকে পুনরায় ফুলের মালা দিয়ে গ্রহণ করে নেন। উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষর মেয়ে মিম গণমাধ্যম কর্মীদের জানান আমার বাবার সাথে যে আচরণটি করেছে এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের এরকম আচরণ হতে পারে না আমার বাবা একজন সৎ যোগ্য ন্যয় নীতিবান আদর্শ শিক্ষক, আমার বাবাকে জোর করে কিছু বহিরাগত ছাত্র পদত্যাগ করিয়েছেন,এর আমি তীব্র নিন্দা জানাই, উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মফিজ উদ্দিন জানান যারা এই কাজটি করেছে তাদেরকে আমি মাফ করে দিলাম পরবর্তীতে বাংলাদেশের যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম দুঃখজনক ঘটনা না ঘটে এ ব্যাপারে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। উক্ত মাদ্রাসার একজন ছাত্র গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, যারা এই কাজটি করেছে এটি মোটেও ঠিক হয়নি এটি বেআইনি এবং জঘন্যতম অপরাধ বলে আমি মনে করি, আমরা আমাদের অধ্যক্ষ স্যারের কাছে মাফ চেয়েছি তিনি আমাদের মাফ করে দিয়েছেন এবং সকল ছাত্র-ছাত্রী মিলে অধ্যক্ষ স্যারকে ফুলের মালা দিয়ে স্যারের আসনে বসিয়ে দিয়েছি।