শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে আসাদুজ্জামান মিঠু’র ‘অবৈধ দখল’ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তি সংকটে শ্যামনগরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তিভোগী মহলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে হামলা, মা-মেয়ে আহত শ্যামনগরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি কোডেক এর উদ্যোগে শ্যামনগরের মানুষ পেল বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ বনদস্যু আতঙ্ক নিয়ে মধু আহরণে সুন্দরবনে যাচ্ছেন মৌয়ালরা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চলছে খোলপেটুয়া নদীর চর অবৈধ দখল ও ভরাট সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস ও মালামাল জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড যাত্রা শুরু হলো কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটি ( Cys) নামীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের  শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

কৃষি ও পল্লী খাতে ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ঋণ

Reporter Name
Update Time : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক অংক সুদেই ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হবে। এটি গত ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকো এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডেপুটি গর্ভনর এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, কৃষি ও পল্লী ঋণের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে শস্য খাতে। ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত পাবে অন্তত ১০ শতাংশ। বাকি অর্থ যাবে কৃষি যন্ত্রপাতি, দারিদ্র্য বিমোচন, ভাসমান পদ্ধতিতে চাষাবাদ, টার্কি পালন ও অন্যান্য খাতে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, গত জুলাই থেকে ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ হওয়ার কথা। কৃষি ও পল্লী ঋণের ক্ষেত্রেও একই হার বিদ্যমান থাকবে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত বাংকগুলোর স্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নেট ঋণ ও অগ্রীমের ২ শতাংশ হারে হিসাবায়ন করে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি ও পল্লী ঋণের এ লক্ষ্যমাত্রার ৫২ শতাংশ বিতরণ করবে বেসরকারিখাতের ব্যাংক, সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক বিতরণ করবে ৩০ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংক বিতরণ করবে ১৫ শতাংশ ও বিদেশি ব্যাংক বিতরণ করবে ৩ শতাংশ ঋণ।

এ ছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক ২০ কোটি ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) ৭৮০ কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করবে।