সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী গাজী নজরুল ইসলাম-এর সঙ্গে শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

নওগাঁর পত্নীতলায় দুই সাংবাদিককে তুলে নিয়ে নির্যাতন

শাকিল হোসেন
Update Time : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

 

শাকিল হোসেন – পত্নীতলা (নওগাঁ):

নওগাঁর পত্নীতলায় অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনোষ্টিক ও ভুল চিকিৎসা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দুই সাংবাদিক। তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে সাংবাদিকতা না করার প্রতিশ্রুতি লিখে নেয়া হয়।

নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকরা হলেন, দৈনিক জয়পুরহাট বার্তার প্রতিনিধি মাহমুদুন নবী ও দৈনিক মানবকন্ঠের প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম। মাহমুদুন নবী বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর রবিউল ইসলাম নিজ বাড়িতেই আছেন।

নির্যাতনের শিকার মাহমুদুন নবী জানান, শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি নজিপুর বাজারে সিটি ক্লিনিকের সামনে একটি দোকানে চা পান করছিলেন। এ সময় সিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক ও মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার দেওয়ান সবুর হোসেন তাকে জোর করে ক্লিনিকের ভেতরে ধরে নিয়ে যায় এবং মারধর শুরু করে। ঘরে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে কয়েক দফায় তাকে মারধর করা হয়।

তিনি আরও জানান, তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় তারা। এ সময় তিনি আর সাংবাদিকতা করবেন না এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাহমুদুন নবীকে একটি রাজস্ব ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়। এছাড়া ফেসবুকে লাইভে সাংবাদিকতা না করার ঘোষণা এবং গলায় জুতার মালা ঝুলিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনা বাহিনীর সদস্যরা এসে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

অন্যদিকে, একইদিন রাত ১০টার দিকে মানবকন্ঠের প্রতিনিধি রবিউল ইসলামকে বাড়ির সামনে থেকে মোটরসাইকেলে করে তুলে সিটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখনে একটি ঘরে আটকে নির্যাতন করা হয়। তাকেও একইভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, এ ঘটনায় চিকিৎসক ও ক্লিনিক ডায়াগনোষ্টিকের মালিকপক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করছেন। সিটি ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশিদ জানান, চিকিৎসকদের সাথে সাংবাদিকদের দ্বন্দ্ব হয়েছে। ঘটনার সাথে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কেউ জড়িত নয় বলে দাবি করেন তিনি। আর চিকিৎসক দেওয়ান সবুর হোসেন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে দোষ চাপিয়ে দেন মালিকপক্ষের ওপর।

এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে সাংবাদিক মাহমুদুন নবী ও রবিউল ইসলামকে উদ্ধার করে আনা হয়েছিলো। তবে তারা এখনও কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।