শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন

রিপোর্ট: ভয়েস অফ সুন্দরবন
চিংড়ী শিল্প রক্ষা ও দেশের অর্থনীতি সচল রাখার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত মহল পরিমিত লবন পানি উত্তোলনের দাবীতে মানববন্ধন করে।
শনিবার বিকাল ৪টায় শ্যামনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী পরানপুর, নিদয়া,বৈশখালী,কাটামারী সহ ৫/৬ গ্রামের ভুক্তভোগী মহল চিংড়ী ঘের এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, লবণ পানি ও লবণ মাটি নির্ভর উপকূলীয় এলাকায় বাগদা চিংড়ী চাষ ছাড়া অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প নেই। সাতক্ষীরার ঐতিহ্য ‘সাদা সোনা’ নামে খ্যাত বাগদা চিংড়ী দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ফ্লাশিং স্লুইস গেটের মাধ্যমে পরিমিত পরিমাণ লবণ পানি উঠিয়ে নির্বিঘ্নে চিংড়ী ও মৎস্য ঘের পরিচালনা করা সম্ভব হলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে চিংড়ী চাষ হুমকির মুখে পড়ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হাজারো ঘের মালিক ও মৎস্যচাষীরা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ঘের মালিক, মৎস্যচাষী ও সাধারণ জনগণ অবিলম্বে চিংড়ী শিল্পবান্ধব পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ সময় চিংড়ি ঘের পরিচালনা করার ক্ষেত্রে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে আরো বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব আবু ইদ্রিস মোড়ল, ফারুক হোসেন, সাবেক মেম্বার নুর ইসলাম,
বাবু অসীম কুমার মন্ডল,বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী মজিবুর রহমান , ফজলু মোড়ল , রশিদ মল্লিক, মৎস্য চাষী আবুল কালাম, মৎস্য চাষী আব্দুল মজিদ, মৎস্য চাষী গৌরাঙ্গ মন্ডল, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক গাজী আজিজুর রহমান।
তারা বলেন, চিংড়ী শিল্প ধ্বংস হলে উপকূলীয় এলাকার অর্থনীতি ও কর্মসংসংস্থানের ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।
##