শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, প্রেসক্রিপশন ছেঁড়ার অভিযোগ দলিত নারী ও কিশোরীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

বেনাপোলে আলোচিত রেশমা হিজড়া হত্যা, ৮জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

মনির হোসেন
Update Time : শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন

 

 

 

 

মনির হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধি:

বেনাপোলের বহুল আলোচিত রেশমা হিজড়া হত্যা মামলায় আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে এ চার্জমিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শংকর কুমার বিশ্বাস ।

অভিযুক্তরা হলেন, বেনাপোলের কাগজপুকুর গ্রামের ফারুক হোসেন, আল মামুন, শরিফ শেখ, সাগর উদ্দিন, হোসাইন, জাফর হোসেন, টিটু মোড়ল ও আতউল্লাহ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় দু’জনের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ১১ মার্চ বিকেলে ডিবি পুলিশ জানতে পারে রেশমা হিজড়াকে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে তার পরিচিতরা। রেশমা হিজড়া নিখোঁজের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ডিবি পুলিশ তার বন্ধু ফারুককে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে কাগজপুকুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উত্তর কোনায় পুঁতে রাখা রেশমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত তিন-চারজনকে আসামি করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, রেশমা ও তার স্বামী পরিচয়দানকারী জাফর একসাথে সীমান্ত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতেন। নিজেদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হলে কথিত স্বামী জাফরকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিতেন রেশমা। আবার তাকে ছাড়িয়েও আনতেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে রেশমার ওপর ক্ষিপ্ত হন জাফর। এরইমধ্যে বেনাপোল এলাকার সোহাগের বাড়ি ভাড়া নেন রেশমা। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে গিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেন জাফর। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেন রেশমা। ওই মামলায় সাক্ষী করা হয় ফারুককে। কিন্তু ফারুক মামলায় সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন রেশমা। এছাড়া, এলাকার বিভিন্ন লোকজনকে নানাভাবে হয়রানি করতেন তিনি। এরই জের ধরে ঘটনার দিন রাতে কৌশলে রেশমাকে ডেকে এনে মারপিট করে কবরস্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। কবরস্থানের পাশে নিয়ে রেশামার মৃত্যু নিশ্চিত করতে জবাই করে তাকে। এরপর রেশমার মরদেহ বস্তাবন্দি করে কবরস্থানে পুঁতে রাখা হয়। এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ওই আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় মফিজুর গাজী মফি ও রুবেলের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চর্জেিশট। চার্জশিটে অভিযুক্ত পাঁচজনকে পুলিশ আটক ও বাকি তিনজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।#