সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, ঘরসহ মালামাল পুড়ে ছাই শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী গাজী নজরুল ইসলাম-এর সঙ্গে শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

পটুয়াখালীতে ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা

মোঃ মামুন খান
Update Time : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন

 

 

 

মোঃ মামুন খান বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি

 

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাসাবাড়িতে, কলকারখানায় ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। ত্রুটিপূর্ণ ওই বিল সংশোধনের জন্য এখন তাদের স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে। একদিকে ঘনঘন লোডশেডিং অন্যদিকে ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকরা ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

 

কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া থানায় গ্রাহকের সংখ্যা ৪৫-৫০ হাজার। গ্রাহকদের অভিযোগ, উপজেলাজুড়ে চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং থাকায় তুলনামূলক বিদ্যুৎ কম ব্যবহার হয়েছে। তবুও দুই মাস ধরে দ্বিগুণ-তিনগুণ হারে বিদ্যুৎ বিল আসছে। লাগামহীন বিদ্যুৎ বিলে ভুক্তভোগীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

 

এদিকে প্রতিদিন অসংখ্য গ্রাহক বিল সংশোধনের অভিযোগ নিয়ে অফিসে যাচ্ছন। ভুতুড়ে বিল প্রসঙ্গে কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাব জোনাল অফিসে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান হচ্ছে না। উল্টো অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের মতো করে গ্রাহককে বোঝাচ্ছেন। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিন গ্রাহকের সঙ্গে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাগ্‌বিতণ্ডা হচ্ছে।

 

বিদ্যুৎ নিয়ে অভিযোগ করে পৌরসভার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান খান বলেন, মে মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছিল ১ হাজার ১৮৬ টাকা, জুলাই মাসে ১ হাজার ৯৩৫ টাকা। আগস্টে আমাদের এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ লোডশেডিং ছিল, অথচ এ মাসে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক ৩ হাজার ২৭৮ টাকা। বিদ্যুৎ যেখানে ঠিকমতো পাওয়া যায়নি, সেখানে এমন অস্বাভাবিক বিল কীভাবে হয়।

 

 

কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল এ জি এম মো. ইমরান শেখ বলেন, গ্রাহক যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, সেভাবেই বিলও তৈরি হয়। অতিরিক্ত বিল নেওয়া কোনো সুযোগ নেই। মৌখিকভাবে বেশি কিছু অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।