সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
সংস্কারের অভাবে সৌন্দর্য হারাচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র আকাশলীনা ইকো-ট্যুরিজম সেন্টার শ্যামনগরে জমি বিরোধ: মানববন্ধনের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে আমির আলি গাইনের অভিযোগ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, প্রেসক্রিপশন ছেঁড়ার অভিযোগ দলিত নারী ও কিশোরীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

পটুয়াখালীতে ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা

মোঃ মামুন খান
Update Time : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

 

 

 

মোঃ মামুন খান বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি

 

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাসাবাড়িতে, কলকারখানায় ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। ত্রুটিপূর্ণ ওই বিল সংশোধনের জন্য এখন তাদের স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে। একদিকে ঘনঘন লোডশেডিং অন্যদিকে ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকরা ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

 

কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া থানায় গ্রাহকের সংখ্যা ৪৫-৫০ হাজার। গ্রাহকদের অভিযোগ, উপজেলাজুড়ে চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং থাকায় তুলনামূলক বিদ্যুৎ কম ব্যবহার হয়েছে। তবুও দুই মাস ধরে দ্বিগুণ-তিনগুণ হারে বিদ্যুৎ বিল আসছে। লাগামহীন বিদ্যুৎ বিলে ভুক্তভোগীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

 

এদিকে প্রতিদিন অসংখ্য গ্রাহক বিল সংশোধনের অভিযোগ নিয়ে অফিসে যাচ্ছন। ভুতুড়ে বিল প্রসঙ্গে কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাব জোনাল অফিসে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান হচ্ছে না। উল্টো অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের মতো করে গ্রাহককে বোঝাচ্ছেন। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিন গ্রাহকের সঙ্গে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাগ্‌বিতণ্ডা হচ্ছে।

 

বিদ্যুৎ নিয়ে অভিযোগ করে পৌরসভার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান খান বলেন, মে মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছিল ১ হাজার ১৮৬ টাকা, জুলাই মাসে ১ হাজার ৯৩৫ টাকা। আগস্টে আমাদের এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ লোডশেডিং ছিল, অথচ এ মাসে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক ৩ হাজার ২৭৮ টাকা। বিদ্যুৎ যেখানে ঠিকমতো পাওয়া যায়নি, সেখানে এমন অস্বাভাবিক বিল কীভাবে হয়।

 

 

কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল এ জি এম মো. ইমরান শেখ বলেন, গ্রাহক যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, সেভাবেই বিলও তৈরি হয়। অতিরিক্ত বিল নেওয়া কোনো সুযোগ নেই। মৌখিকভাবে বেশি কিছু অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।