বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
কোডেক এর উদ্যোগে শ্যামনগরের মানুষ পেল বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ বনদস্যু আতঙ্ক নিয়ে মধু আহরণে সুন্দরবনে যাচ্ছেন মৌয়ালরা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চলছে খোলপেটুয়া নদীর চর অবৈধ দখল ও ভরাট সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস ও মালামাল জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড যাত্রা শুরু হলো কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটি ( Cys) নামীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের  শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শ্যামনগরে “স্থানীয় জলবায়ু সংকট, জনগোষ্ঠীর সমাধান ও দাবি” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর গোলাখালী থেকে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ শ্যামনগরে কিশোর গ্যাংয়ের মাদক তৎপরতা: এলাকাজুড়ে আতঙ্ক
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চলছে খোলপেটুয়া নদীর চর অবৈধ দখল ও ভরাট

ভয়েস অফ সুন্দরবন
Update Time : বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

 

 

 

রিপোর্ট : ভয়েস অফ সুন্দরবন

স্থানীয় প্রশাসনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের গড়কুমারপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে নদীর চর দখল ও ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একাধিক প্রভাবশালী মহল।

 

জানা গেছে, ভূমি অফিসের নাকের ডগায় বসেই নদীর চরে অবৈধ দখল, ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের মতো কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও তা কার্যত অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পদ্মপুকুর ভূমি অফিসে মুঠোফোনে কল করলে ভূমি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা, মোশারফ হোসেন, জানান বিষয়টা আমার দৃষ্টি অগোচর আমি জানিনা আমি এখানে নতুন এসেছি তবে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আমি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নিব।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই দখল প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছেন গড়কুমারপুর বাজারের ইট বালু ব্যবসায়ী নুরুল আমিন সানা ও অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তিগন । অভিযোগ রয়েছে, নুরুল আমিন সানা পূর্ব থেকেই নদীর জায়গা দখল করে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে তিনি আবার নতুন করে নদীর আরও অংশ দখল করে ভরাট কাজ শুরু করেছেন।

 

এদিকে, গড়কুমারপুর বাজার সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীর তীরে অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও পিছিয়ে নেই। কে আগে দখল করে স্থাপনা গড়ে তুলতে পারেন—এ নিয়ে চলছে নীরব প্রতিযোগিতা। কেউ নদীর বাঁধে, আবার কেউ নদীর জেগে ওঠা চরে গড়ে তুলছেন দোকানপাট ও পাকা স্থাপনা।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চললেও সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

 

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে খোলপেটুয়া নদী স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তাই নদী রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।