বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে “স্থানীয় জলবায়ু সংকট, জনগোষ্ঠীর সমাধান ও দাবি” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর গোলাখালী থেকে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ শ্যামনগরে কিশোর গ্যাংয়ের মাদক তৎপরতা: এলাকাজুড়ে আতঙ্ক শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল শ্যামনগরে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে ইলেকট্রিক সেলাই মেশিন বিতরণ শ্যামনগরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, ৩ আসামি গ্রেফতার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী আশ্রয়ণ প্রকল্পে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত শ্যামনগর গাবুরা ৯ নম্বর সোরা সুইচগেটের পানি ওঠাকে কেন্দ্র করে মারপিট, আহত ২
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শ্যামনগরে “স্থানীয় জলবায়ু সংকট, জনগোষ্ঠীর সমাধান ও দাবি” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জি এম রাজু আহমেদ
Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

 

রিপোর্ট:  জিএম রাজু আহমেদ

উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং সরকারের প্রতি কার্যকর দাবি উপস্থাপনের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) শ্যামনগর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরিতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইনডিজেনাস নলেজ (বারসিক)-এর সহযোগিতায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির সংকট, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, নদী ভাঙন, জীবিকার অনিশ্চয়তা এবং ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো নানা সংকট দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। এসব সমস্যার কারণে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং টেকসই সমাধান না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

বক্তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে কয়েকটি বাস্তবভিত্তিক সমাধান প্রস্তাব করেন। এর মধ্যে রয়েছে—পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, খাল ও নদী পুনঃখনন, লবণাক্ততা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির প্রসার, বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় জ্ঞানের ব্যবহার এবং জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

এসময় সরকারের প্রতি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—উপকূল মন্ত্রণালয় গঠন, উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ জলবায়ু বাজেট বরাদ্দ, নিরাপদ পানির টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা (সংবিধানের ৩২নং অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী), টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর জলবায়ু নীতি বাস্তবায়ন, গ্রামীণ যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্থানীয়/লোকায়ত জ্ঞানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, কীটনাশকের অবাধ বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের জন্য প্রকৃত প্রণোদনা নিশ্চিত করা।