শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, প্রেসক্রিপশন ছেঁড়ার অভিযোগ দলিত নারী ও কিশোরীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শ্যামনগরে “স্থানীয় জলবায়ু সংকট, জনগোষ্ঠীর সমাধান ও দাবি” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

জি এম রাজু আহমেদ
Update Time : শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন

 

রিপোর্ট:  জিএম রাজু আহমেদ

উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং সরকারের প্রতি কার্যকর দাবি উপস্থাপনের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) শ্যামনগর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরিতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইনডিজেনাস নলেজ (বারসিক)-এর সহযোগিতায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির সংকট, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, নদী ভাঙন, জীবিকার অনিশ্চয়তা এবং ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো নানা সংকট দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। এসব সমস্যার কারণে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং টেকসই সমাধান না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

বক্তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে কয়েকটি বাস্তবভিত্তিক সমাধান প্রস্তাব করেন। এর মধ্যে রয়েছে—পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, খাল ও নদী পুনঃখনন, লবণাক্ততা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির প্রসার, বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় জ্ঞানের ব্যবহার এবং জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

এসময় সরকারের প্রতি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—উপকূল মন্ত্রণালয় গঠন, উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ জলবায়ু বাজেট বরাদ্দ, নিরাপদ পানির টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা (সংবিধানের ৩২নং অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী), টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর জলবায়ু নীতি বাস্তবায়ন, গ্রামীণ যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্থানীয়/লোকায়ত জ্ঞানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, কীটনাশকের অবাধ বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের জন্য প্রকৃত প্রণোদনা নিশ্চিত করা।