মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে বৃদ্ধের বসতভিটা দখলের মিথ্যা অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা নুরজাহান পারভীন ঝর্না কে সংরক্ষিত নারী এম পি হিসাবে পেতে চায় সাতক্ষীরাবাসী গাজী নজরুল ইসলাম-এর সঙ্গে শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ শ্যামনগরে ড. মনিরুজ্জামানের নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত শ্যামনগর পল্লীসঞ্চয় ব্যাংক ম্যানেজার ও কর্মচারী হরির সুদ বানিজ্য জাল ষ্টাম্প ও রেভ্যিনিউ ষ্টাম্প বিক্রির কারনে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব ,ঋণ গ্রহিতারা হচ্ছে সর্বশান্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী সাবেক  এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি শ্যামনগরে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত কৈখালী সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ১২টি ভারতীয় এয়ারগানসহ বিপুল সরঞ্জামাদি উদ্ধার আভিযানিক সফলতা ও নির্বাচন নিরাপত্তা নিয়ে ১৭ বিজিবির প্রেস ব্রিফিং কক্সবাজারে আর্গন এ্যানিম্যাল হেলথ লিমিটেডের বর্ণাঢ্য বার্ষিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

পদমর্যাদায় নয়, জনকল্যানে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন ডিআইজি আব্দুল্লাহ্ আল মামুন

Reporter Name
Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন

 

মোহাম্মদ রাসেল :
একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়েও আত্নঅহমিকায় গা ভাসিয়ে না দিয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে কর্মদক্ষতার প্রমাণ দিয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ঢাকা রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) আব্দুল্লাহ্ আল মামুন। সুনামগঞ্জ জেলার শ্রীহৈল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৬৪ সালের ১২ই জানুয়ারী তাঁর জন্ম। সফল শিক্ষা জীবনে ১৯৮৬ সালে তিনি কৃতিত্বের সাথে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ন হন। অতঃপর তিনি কর্ম জীবনে পদার্পন করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এএসপি হিসেবে যোগদান করেন। শুরু হয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অবিরাম ছুটেচলা। আব্দুল্লাহ্ আল মামুন কর্মসূত্রে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জেলায় গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্বরত থেকে আদর্শের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি যেসব পদে দায়িত্বরত ছিলেন, ঢাকা মেট্রো পলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর এ্যাসিসটেন্ট কমিশনার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর এএসপি, ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার সদর সার্কেল এএসপি, সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ সার্কেল এএসপি, চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ সার্কেল এএসপি, ডিএমপির এডিসি, নীলফামারী জেলার এসপি, ডিএমপি ডিসি, পুলিশ সদরদপ্তর এ এআইজি (কনফিডেন্সিয়াল)। তারপর তিনি ঢাকা রেঞ্জে এডিশনাল ডিআইজি হিসেবে যোগদান করেন। কিছুদিন পরেই তিনি পুলিশ সদরদপ্তর এ ডিআইজি (অপারেশন) হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি পদে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তবে তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা একেবারেই সহজ ছিলো না। দায়িত্ব পালনকালে বহু বাধা বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়েছে। তবুও তিনি অন্যায় এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। তাঁর এ পদাঙ্ক অনুসরন করে বাংলাদেশ পুলিশের অনেক কর্মকর্তাই স্বমহিমায় উজ্জ্বল। তাঁর দিকনির্দেশনা পুলিশ সদস্যদের চলার পথের পাথেয়। তিনি কর্ম ও সত্যনিষ্ঠ জীবন পরিচালনায় বিশ্বাসী। তাইতো জীবনের প্রতিটি প্রদক্ষেপেই তাঁর সফলতা। তিনি যোগ্যতা এবং আত্নবিশ্বাসে ভরপুর একজন বলিষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা। আব্দুল্লাহ্ আল মামুন দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন ভাবে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত যথা, ইউনাইটেড কিংডমে (এনপিআইএ, ব্রামশিল) ইন্টার ন্যাশনাল কমান্ডারস্ প্রোগ্রামে, প্যাসিফিক ট্রেনিং ইনিসিয়েটিব (পিটিআই) এর ২৩তম সেশনে, এফবিআই এবং ইউ এস এমবাসি ব্যাংকক এবং থাইল্যান্ড এ। তিনি গ্লোবাল প্যাকেজিং এর তিনটি ইউএন মিশনে করেন। ইউএন শান্তিরক্ষা মিশন বসনিয়া-হারজিগভিনা, লাইবেরিয়া, দ্বারফুর এ তিনি সফল ভাবে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি কর্মসূত্রে এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপে ভ্রমন করেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি সফলতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। কর্মের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) সম্মান এ ভূষিত হন। শুধু রাষ্ট্রীয় সম্মান নয়, জনগনের মনের মনি কোঠায় তিনি ঠাঁই করে নিয়েছেন। আব্দুল্লাহ্ আল মামুন নিজের পদমর্যাদাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আখের গোছাতে পারতেন কিন্তু তিনি সকল লোভ-লালসাকে পদাঘাত করে নিজেকে শুধু জনকল্যান সাধনে নিয়োজিত রেখেছেন। শুধু পেশাদারিত্বের গন্ডির মধ্যে নয় তিনি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের সাথেও জড়িত। অসহায়দের পাশে দাড়ানোকে তিনি ধর্ম মনে করেন। সব মিলিয়ে এক কথায় তিনি একজন আদর্শ পুরুষ। পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য তিনি একজন মূর্তমান প্রতীক এবং বাংলাদেশের গর্ব। আমরা তাঁর সফলতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি।