শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগর গাবুরা ৯ নম্বর সোরা সুইচগেটের পানি ওঠাকে কেন্দ্র করে মারপিট, আহত ২ সুন্দরবন সংলগ্ন কপোতাক্ষ থেকে বালু উত্তোলন, দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা রিডা হাসপাতাল শ্যামনগরের উদ্যোগে উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যদের সম্মানে ইফতার মাহফিল শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম 
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

ঠাকুরগাঁওয়ে পলিথিন মুক্ত জমে উঠেছে কৃষকের বাজার ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ 
Update Time : শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

 

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ,,

 

ঠাকুরগাঁওয়ে জনমনে স্বস্তি ফেরাতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে চালু হওয়া কৃষকেরা বাজার ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে। এই বাজারে যেখানে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিক্রি করতে পারছে। এতে একদিকে যেমন খুশি হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা অপরদিকে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

৩০ নভেম্বর শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ বাজারে নিজেদের খেতের উৎপাদিত লাউ, শিম, মূলা, বরবটি, আলু, কাঁচামরিচ সহ অন্যান্য কাচা সবজির পসরা নিয়ে বসেছেন কৃষকরা। তাতে ক্রেতাদেরও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বাজারের চেয়ে প্রতিটি পণ্যে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে পেয়ে খুশি ক্রেতারা। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং নাগরিক কমিটির যৌথ উদ্যোগে সাধারণ পাঠাগার মাঠ চত্বরেই এই কৃষকের বাজার নামে অস্থায়ী এ বাজার চালু করা হয়। সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে এ বাজার। এই বাজারে পলিথিন মুক্ত কেনাকাটা করতে ও ক্রেতা বিক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে এ বাজারের আরেকটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে,যেখানে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে পরিবেশবান্ধব ভুট্টার আঁশে তৈরি বিশেষ ব্যাগ ও পাটের ব্যাগ। এছাড়াও শুধুমাত্র কাচা সবজিই নয়, এ বাজারে পাওয়া যায় মাছ মাংস সহ নিত্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যই। বাজার করতে আসা ক্রেতা ইসলাম জানান, এই বাজারে আমি প্রতিটি জিনিস স্থানীয় অন্য বাজার গুলোর তুলনায় অনেক কমেই কিনেছি। কোনটাতে তো কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত কম পেয়েছি। সহিদা খাতুন ও আসমা বেগম নামের ক্রেতা জানান, ব্রয়লার মুরগির মাংস কিনেছি এবং স্থানীয় বাজারের চেয়ে কেজিতে ২০ টাকা কম পেয়েছি। গরুর মাংস ৬৪০ টাকা কেজি পেয়েছি,অথচ বাজারে গেলে ৭শ থেকে সাড়ে ৭শ টাকার কম নেই। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, কৃষকের বাজার মূলত হলিডে মার্কেটের মত। ছুটির দিনে সুলভ মূল্যে ক্রেতাদের ক্রয় করা এবং কৃষক সরাসরি নিজেই বিক্রেতা হয়ে ন্যায্য মূল্য পাওয়ার উদ্দেশ্যেই এই বাজারটি চালু করা। ভোক্তারা চাইলে আরও বড় পরিসরে এ বাজারকে আমরা করার কথা ভাবতে পারি।