বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
দলিত নারী ও কিশোরীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ শ্যামনগরে আড়াই কোটি টাকার বরাদ্দের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী মহল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খানের অপসারণ দাবি করেছেন 
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

নড়াইলে ঘর দেওয়ার নামে হতদরিদ্রের সাথে প্রতারণা

উজ্জ্বল রায়
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

 

নড়াইল প্রতিনিধি:

নড়াইলে সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে এক হতদরিদ্র নারীর নিকট থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে অপর এক নারীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নারীর নাম সোনিয়া বেগম (৩৫)। সে নড়াইল পৌরসভাধীন কুড়িগ্রাম এলাকার আফছারের কন্যা এবং নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের গৃহপরিচারিকা। অপরদিকে প্রতারণার শিকার হয়েছেন একই এলাকার মৃত রাঙা মিয়া শেখের কন্যা বয়োবৃদ্ধ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী হাওয়া বেগম (৮০)।

 

নড়াইল পুলিশ সুপারকে দেওয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ভুক্তভোগী হাওয়া বেগম একজন হতদরিদ্র ব্যক্তি। তিনি রাস্তাঘাট থেকে বোতল কুড়িয়ে তা বিক্রির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার নিজের থাকার মতো কোনো ঘর না থাকায় অভিযুক্ত সোনিয়া বেগমের প্রলোভনে পড়ে একটি সরকারি ঘর পাওয়ার আশায় তাকে সাতাত্তর হাজার টাকা দেন। টাকা নেওয়ার পর প্রতারক সোনিয়া তাকে কোনো ঘর দিতে পারে নাই। পরবর্তীতে হাওয়া বেগম তার কাছে টাকা ফেরত চাইলে সে নানা টালবাহানা শুরু করে এবং ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করে।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্তের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি টাকা গ্রহণের বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেন।