শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগর গাবুরা ৯ নম্বর সোরা সুইচগেটের পানি ওঠাকে কেন্দ্র করে মারপিট, আহত ২ সুন্দরবন সংলগ্ন কপোতাক্ষ থেকে বালু উত্তোলন, দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা রিডা হাসপাতাল শ্যামনগরের উদ্যোগে উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যদের সম্মানে ইফতার মাহফিল শ্যামনগরে “জলবায়ু সংকট ও স্থানীয় অভিযোজন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ক্রাইম কনফারেন্সে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান শ্রেষ্ঠত্ব নূরনগরে জামায়াতে কর্মীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উপকূলীয় উন্নয়নে এগিয়ে এলো ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স: শ্যামনগরে আদর্শ গ্রাম গঠনের প্রত্যয় শ্যামনগরে মরহুমা মমতাজ ওয়াহেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর বি আর ডিবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপি নেতা মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ  শ্যামনগর সদর হাসপাতাল পরিস্কারের মাধ্যমে কার্য্যক্রম শুরু করলেন এম পি গাজী নজরুল ইসলাম 
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

জনজীবন বিপর্যস্থ টানা বৃষ্টিতে কলারোয়ায় পানিবন্দি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-রাস্তা, তলিয়ে গেছে ঘের-পুকুর

ফরিদ আহমেদ ময়না
Update Time : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
গত ৩ দিনের টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার কলারোয়ার জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে মাছের ঘের ও পুকুর, ফসলের ক্ষেত। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ও রাস্তা। ঘর থেকে বের হতে না পেরে ও কাজ করতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবী খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। ক্ষতি হয়েছে আগাম শীতকালীন সবজি চাষীদেরও।
কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কলারোয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রাশেদুল হাসান কামরুল জানান, ‘তার স্কুলের আঙিনা, বারান্দা ও ক্লাসরুম পানিবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এমনকি পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড মির্জাপুরের বিভিন্ন এলাকা ও রাস্তাঘাট পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকের বাড়ির আঙিনায় পানি উঠেছে।’
তিনি আরো জানান, ‘পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থার চরম বিপর্যয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অধিকাংশ নাগরিক পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শিক্ষার্থীদের স্কুলের পড়া-লেখা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। গোটা পৌর এলাকার প্রায় একই চিত্র।’
তুলশীডাঙ্গা গ্রামের ভ্যান চালক নাসির জানান, ‘বাড়ি ও আশপাশের রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির কারণে ভ্যান নিয়ে বাইরে বের হয়ে ভাড়া পাওয়াও যাচ্ছে না। প্রতিদিন চাল-তরকারি কিনে সংসার চালাতে হয়। গত ৩দিন আয় না থাকায় কষ্টে আছি।’
দিনমজুর আজিজ জানান, ৩দিন ধরে ঘরে বসে আছি। কাজকর্মে যেতে পারছি না। পরিবার নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।’
মাছের ঘের ব্যবসায়ী আব্দুল হক জানান, ‘অনেকের মাছের ঘের ও পুকুর তলিয়ে গেছে। কেউ কেউ নেট-পাটা দিয়ে মাছ ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। কারো কারো ঘের-পুকুরের আইল সমান পানি থৈ থৈ করছে।’
চন্দনপুরের কৃষক মনিরুজ্জামান জানান, ‘ফসলের ক্ষেতে অতিরিক্ত পানি জমে যাওয়ায় আবাদ নষ্ট হচ্ছে।’
এদিকে, পৌরসভা ও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির আঙিনা, রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। পর্যাপ্ত ও যুগোপযোগী ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এমনটা হচ্ছে বলে অনেকে বলছেন।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ১৩ সেপ্টেম্বরে ভোর হতে ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর পর্যন্ত উপজেলায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৫৭ মিলিমিটার।