রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’: কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের বন্দুকযুদ্ধে সুন্দরবনে ৩ ডাকাত আটক বিরোধী দল থেকে সংসদে একজনই মুক্তিযোদ্ধা গাজী নজরুল ইসলাম: বললেন স্পিকার মাজাট-কাশিপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে গৃহবধূর আত্মহত্যা শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস পরিষ্কার করলেন কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শ্যামনগরে সাংবাদিকরা র‍্যালি, আলোচনা সভা ও অবস্থান কর্মসৃচীর মধ্য দিয়ে বিশ্ব মুক্ত গনমাধ্যম দিবসটি পালন করলো শ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ১৫টি পরিবার এখন আকাশের নীচে, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলম শ্যামনগরে মহান মে দিবস পালনে শ্রমিক দলের র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরের কৃতি সন্তান তরুণ নির্মাতা রাজ্জাক রাজ এর পরিচালনায়  =” বইপোকা সরকারী চাল পেলো সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার আট হাজার তিনশত চব্বিশ জেলে
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

ফেলানীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন উপদেষ্টা আসিফ

রফিকুল ইসলাম রফিক
Update Time : রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন

 

 

রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানী খাতুনের পরিবারের দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পোস্টে বলা হয়, ‘সীমান্তে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা ফেলানীর ভাই-বোনের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের দায়িত্ব নিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। পোস্টে দেওয়া ছবিতে দেখা যায়, উপদেষ্টা আসিফের সঙ্গে ফেলানীর মা-বাবা ও ভাই উপস্থিত রয়েছেন।

এদিকে সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার ফেলানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সমাবেশের আয়োজন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে তার বাবা নূর ইসলাম এই হত্যার বিচারের উদ্যোগ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

১৪ বছর আগে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি করে ফেলানীকে। হত্যার পর তার মরদেহ সীমান্তের কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখে।

সেই ছবি তখন দেশ ছাপিয়ে দেশের বাইরের গণমাধ্যমে প্রচার হলে তা নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে । হত্যার পর থেকে প্রতিবছরে তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয় এবং সরকারের কাছে তার পরিবার মৃত্যুর বিচার চান যদিও এ ঘটনার কোনো বিচার আজও হয়নি।