বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে খেলোয়াড়দের মাঝে বল বিতরণ  শ্যামনগরের ভেটখালীতে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু সাতক্ষীরা-৪ আসনের কৃতি সন্তান আমিনুর রহমান আমিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন  মাজাট প্রিমিয়ার লীগ-২০২৬ এর জমজমাট মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত শ্যামনগর পৌরসভার দুই গ্রামের জনদুর্ভোগ কমাতে এগিয়ে আসলেন মেয়র প্রার্থী জহুরুল হক আপ্পু  শ্যামনগরে কালবৈশাখাী ঝড়ে নিহত স্কুলছাত্রীর পরিবারের পাশে দাড়ালেন ইউএনও শামসুজ্জাহান কনক বাফুফে এ্যাডহক কমিটি গঠিত ১ নং সদস্য হিসেবে মনোনীত হলেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আলমগীর কবির রানা  শ্যামনগরে ঈদ উপলক্ষে জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন শ্যামনগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত। ‎ খুলনা প্রতিদিনের উপকূলীয় প্রতিনিধি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান রিপনের নামে বন বিভাগের মামলায় মিথ্যা ভাবে নাম জড়ানোয় সাংবাদিক সমাজের নিন্দা ও ক্ষোভ।
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

বিচারকের সই জাল করায় একজনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

মনির হোসেন
Update Time : বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

 

 

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুরের মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিক জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাবেক একজন বিচারকের সই জালিয়াতি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়েছে আদালতপাড়ায়। এমনকী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে।

 

অ্যাডভোকেট প্রবীর চক্রবর্তী জানান, বেনাপোল পোট থানা এলাকার গোলাম মোরশেদ ২০১৮ সালে যাদবপুর গ্রামের আব্দুল লতিফ খাঁর কাছ থেকে তার কাগজপুকুরে থাকা মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশন লিজ নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি বসতপুরের মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিক জামাল হোসেন কিছু কাগজপত্র এনে দাবি করেন,

 

তিনি ২০২১ সালের ১২ জুলাই আদালতে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে আব্দুল লতিফ খাঁর কাছ থেকে মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশন লিজ নিয়েছেন। দাবি করা হয়, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল ইসলামের আদালত থেকে চুক্তিপত্র অ্যাফিডেভিট করা হয়েছে।

 

বিষয়টি গোলাম মোরশেদ মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল লতিফ খাঁকে অবহিত করলে তিনি জামাল হোসেনকে লিজ দেননি এবং আদালতে এ সংক্রান্ত কোনো এফিডেভিট করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেন। কথিত চুক্তিনামায় দেখানো আব্দুল লতিফ খাঁর সই জাল। এরপর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নথি যাচাই করে জানা যায় বিষয়টি ভুয়া। এমন কোনো এফিডেভিট করা হয়নি।

 

আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিচারকের সই জাল করে প্রতারণার আশ্রয় নেয়ায় মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।#