রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
সাতক্ষীরা- ৪ প্রার্থী মনিরুজ্জামানে পৃষ্ঠপোষকতায় দুই বিএনপি নেতার কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজ।  শ্যামনগর উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্স-এর আয়োজনে দোয়া মাহফিল ও ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ শ্যামনগরে পারিবারিক পুষ্টি বাগান প্রকল্পের উপকরণ বিতরণ   ৬ নম্বর রমজান নগর ইউনিয়নে ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি অফিস উদ্বোধন ও খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও স্বজনপ্রিতীর অভিযোগ উঠেছে  শ্যামনগরে স্টোকহোল্ডারস প্লাটফর্ম গঠন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরের ইট ভাটা শ্রমিক সুজন গাজীর এক সপ্তাহ থেকে কোন খোজ পাচ্ছে না পরিবার শ্যামনগরে ভুমিহীন পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, এঘটনায় আহত -২ শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম–দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় 
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

বিচারকের সই জাল করায় একজনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

মনির হোসেন
Update Time : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

 

 

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুরের মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিক জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাবেক একজন বিচারকের সই জালিয়াতি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়েছে আদালতপাড়ায়। এমনকী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে।

 

অ্যাডভোকেট প্রবীর চক্রবর্তী জানান, বেনাপোল পোট থানা এলাকার গোলাম মোরশেদ ২০১৮ সালে যাদবপুর গ্রামের আব্দুল লতিফ খাঁর কাছ থেকে তার কাগজপুকুরে থাকা মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশন লিজ নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি বসতপুরের মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিক জামাল হোসেন কিছু কাগজপত্র এনে দাবি করেন,

 

তিনি ২০২১ সালের ১২ জুলাই আদালতে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে আব্দুল লতিফ খাঁর কাছ থেকে মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশন লিজ নিয়েছেন। দাবি করা হয়, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল ইসলামের আদালত থেকে চুক্তিপত্র অ্যাফিডেভিট করা হয়েছে।

 

বিষয়টি গোলাম মোরশেদ মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল লতিফ খাঁকে অবহিত করলে তিনি জামাল হোসেনকে লিজ দেননি এবং আদালতে এ সংক্রান্ত কোনো এফিডেভিট করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেন। কথিত চুক্তিনামায় দেখানো আব্দুল লতিফ খাঁর সই জাল। এরপর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নথি যাচাই করে জানা যায় বিষয়টি ভুয়া। এমন কোনো এফিডেভিট করা হয়নি।

 

আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিচারকের সই জাল করে প্রতারণার আশ্রয় নেয়ায় মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।#