শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটির বল বিতরণ শ্যামনগর গোপালপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন শ্যামনগরে কৃষি পুনর্বাসন প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নারিকেলের চারা বিতরণ শ্যামনগরে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন (জুন-২০২৬) উপলক্ষ্যে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত অবৈধ দখলমুক্তির দাবিতে চালিতাঘাটা হাট বাজারে মানববন্ধন শ্যামনগরে বর্ষীয়ান জননেতা আলহাজ্ব মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ স্যারের সম্মানে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে শ্যামনগরে ফুটবল প্রিয় যুবকদের মাঝে বল বিতরণ করা হয়েছে  গরিবের আশ্রয়স্থল মানবিক চিকিৎসক: ডা. শাকিরের ব্যতিক্রমী সেবা শ্যামনগরে আলোচিত শ্যামনগরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারকে ইউনিসেফের সহায়তায় ফ্যামিলি কিট বিতরণ সুন্দরবন সংলগ্ন দুই নদী থেকে রাতে দিনে লক্ষ লক্ষ ফুট বালি লুটের অভিযোগ  শ্যামনগরে বেড়ীবাঁধ রক্ষা করতে যেয়ে পুরা গ্রাম হুমকির মধ্যে,পাউবো কর্মকর্তার অপসারণ দাবী 
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

বিচারকের সই জাল করায় একজনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

মনির হোসেন
Update Time : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

 

 

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুরের মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিক জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাবেক একজন বিচারকের সই জালিয়াতি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়েছে আদালতপাড়ায়। এমনকী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে।

 

অ্যাডভোকেট প্রবীর চক্রবর্তী জানান, বেনাপোল পোট থানা এলাকার গোলাম মোরশেদ ২০১৮ সালে যাদবপুর গ্রামের আব্দুল লতিফ খাঁর কাছ থেকে তার কাগজপুকুরে থাকা মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশন লিজ নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি বসতপুরের মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিক জামাল হোসেন কিছু কাগজপত্র এনে দাবি করেন,

 

তিনি ২০২১ সালের ১২ জুলাই আদালতে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে আব্দুল লতিফ খাঁর কাছ থেকে মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশন লিজ নিয়েছেন। দাবি করা হয়, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল ইসলামের আদালত থেকে চুক্তিপত্র অ্যাফিডেভিট করা হয়েছে।

 

বিষয়টি গোলাম মোরশেদ মেসার্স তনিমা ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল লতিফ খাঁকে অবহিত করলে তিনি জামাল হোসেনকে লিজ দেননি এবং আদালতে এ সংক্রান্ত কোনো এফিডেভিট করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেন। কথিত চুক্তিনামায় দেখানো আব্দুল লতিফ খাঁর সই জাল। এরপর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নথি যাচাই করে জানা যায় বিষয়টি ভুয়া। এমন কোনো এফিডেভিট করা হয়নি।

 

আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিচারকের সই জাল করে প্রতারণার আশ্রয় নেয়ায় মেসার্স আনোয়ার ফিলিং স্টেশনের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।#