শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরের কৃতি সন্তান তরুণ নির্মাতা রাজ্জাক রাজ এর পরিচালনায়  =” বইপোকা সরকারী চাল পেলো সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার আট হাজার তিনশত চব্বিশ জেলে শ্যামনগরে কৃষি প্রণোদনায় ২৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ শ্যামনগরে জমি বিরোধে হামলা: আহত ৪, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ শ্যামনগরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগর ফিলিং স্টেশনের তেলবাহী গাড়ি আটকানোর ঘোষণা,নিরাপত্ত্বার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে আসাদুজ্জামান মিঠু’র ‘অবৈধ দখল’ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তি সংকটে শ্যামনগরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তিভোগী মহলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে হামলা, মা-মেয়ে আহত শ্যামনগরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

গাইবান্ধার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নার্গিস বেগম এর নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ।

ফয়সাল রহমান জনি
Update Time : শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

 

 

ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

 

 

গাইবান্ধা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি শাখা) কে নির্দেশ প্রদান করেছেন সহকারী কমিশনার সাধারন শাখা মো:মোস্তাফিজুর রহমান।

 

গত ০৩/৯/২০২৪ ইং তারিখে গাইবান্ধা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নার্গিস বেগমের নানা অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে সুবিধা বঞ্চিত ভুক্তভোগীদের পক্ষে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শাহানা ইয়াসমিন লাকী।

অভিযোগে তিনি উল্ল্যেখ করেন, নার্গিস বেগম ২০১৮ সালে গাইবান্ধা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পর থেকে তিনি জেলার প্রকৃত সুবিধা বঞ্চিত অসহায় বেকার ও উদ্যোক্তাদের সুবিধাভোগীর তালিকা থেকে বাদ দিয়ে তার মনোনিত পারিবারিক ভাবে সচ্ছল এবং দালাল শ্রেনির নারীদের তালিকা প্রস্তুত করে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা প্রদান করে আসছে এবং বারবার একই ব্যাক্তিদের দিয়ে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করেন তিনি। শুধু তাই নয় অত্র অফিসে কর্মরত অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সুবিধাভোগীদের নামের বিভিন্ন বরাদ্দের অংশের অর্থ নিজেদের পকেটে ভরান। অভিযোগে আরো উল্ল্যেখ রয়েছে সরকার দলীয় লোকজনদের যোগসাজসে দীর্ঘ প্রায় ০৬ বছরের অধিক সময় একই দপ্তরে অবস্থান করার কারণে এই নার্গিস বেগম জেলা পর্যায়ের একজন নারী মাফিয়া কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার এ সকল অনিয়ম ও দূর্ণীতির কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তিনি প্রতিবাদকারীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। এছাড়াও সাধারণ সেবা গ্রহীতাগণ সহ তার অধিনস্ত সহকর্মীদের সাথে খারাপ আচরণ করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে। এদিকে এই অভিযোগের সূত্র ধরে সাম্রতিক এস এ টেলিভিষনের এক সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম অভিযোগের কথা ভুক্তভোগীসহ সাধারণ মানুষের মুখে।

 

উক্ত ঘটনায় সহকারী কমিশনার সাধারন শাখা মো:মোস্তাফিজুর রহমান কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ প্রদান করায় আনন্দিত ভুক্তভোগীরা। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত কর্মকর্তা নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবে কর্তৃপক্ষ এমনটি প্রত্যাশা সবার।