সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরের ইট ভাটা শ্রমিক সুজন গাজীর এক সপ্তাহ থেকে কোন খোজ পাচ্ছে না পরিবার শ্যামনগরে ভুমিহীন পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, এঘটনায় আহত -২ শ্যামনগরে সিপিপি কর্মকর্তার অনিয়ম–দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায়  নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) এর অভিযানে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য আটক শ্যামনগরে দুই দিনব্যাপী প্রতিবন্ধি উত্তরন মেলা ২০২৫ সমাপ্তি ঘোষনা  শ্যামনগরে ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের দাবিতে মানববন্ধন,প্রসাশনের নেই কোন উদ্যোগ আটুলিয়ায় উৎসর্গ সোসাইটির উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শ্যামনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।   বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় শ্যামনগর সিটি ক্লাব ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির দোয়া অনুষ্ঠান
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শিশু রাইফার মৃত্যু, চার চিকিৎসককে আসামি করে থানায় এজাহার

Reporter Name
Update Time : সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

 

চট্টগ্রামের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসকের গাফিলতিতে শিশু রাফিদা খান রাইফার মৃত্যু ঘটনায় এবার তার বাবা রুবেল খান থানায় মামলার আবেদন করেছেন। বুধবার বিকালে দৈনিক সমকালের চট্টগ্রাম ব্যুরোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুবেল চার চিকিৎসককে আসামি করে চকবাজার থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। চার চিকিৎসক হলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ বিধান রায় চৌধুরী, ম্যাক্স হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক দেবাশীষ সেন গুপ্ত, শুভ্র দেব ও ম্যাক্স হাসপাতালের পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকবাজার থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমরা এজাহারটি নিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর মামলাটি গ্রহণ করব। এজাহারে রুবেল খান অভিযোগ করেন, চার চিকিৎসকের অবহেলা ও গাফিলতিতে রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় না হওয়া এবং ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক ও অতিরিক্ত মাত্রায় সেডিল প্রয়োগের কারণে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেছেন, অ্যান্টিবায়েটিকে আড়াই বছর বয়সী রাইফার শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলেও তা বারবার প্রয়োগ করা হয়েছিল। পরে ওষুধের আলামতও নষ্ট করে দেয়া হয়। রুবেল দাবি করেছেন, এসব অ্যান্টিবায়োটিক মেয়াদোত্তীর্ণ কি না, তা যাচাই করতে সংরক্ষণ করার কথা বলা হলেও চিকিৎসকরা তা সরিয়ে ফেলেন। এই সাংবাদিকের দাবি, আলামত নষ্টের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই ধরনের মৃত্যু সনদও দিয়েছিল। গলায় ব্যথা হওয়ায় রাইফাকে গত ২৮ জুন বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ডা. বিধান রায়ের অধীনে তার চিকিৎসা চলছিল। ২৯ জুন রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে রাইফার মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে একটি কমিটি করে দেয়া হয়। পাশাপাশি চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটিও এ ঘটনার তদন্ত করে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বাধীন কমিটি তাদের প্রতিবেদন কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা এবং গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে।

এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ম্যাক্স হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটির কথা তুলে ধরে।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ম্যাক্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেবকে বরখাস্ত করে। তবে বিধান রায় তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারার কথা জানিয়ে বলে, এই চিকিৎসককে আর হাসপাতালে ডাকবেন না তারা।