শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরের কৃতি সন্তান তরুণ নির্মাতা রাজ্জাক রাজ এর পরিচালনায়  =” বইপোকা সরকারী চাল পেলো সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার আট হাজার তিনশত চব্বিশ জেলে শ্যামনগরে কৃষি প্রণোদনায় ২৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ শ্যামনগরে জমি বিরোধে হামলা: আহত ৪, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ শ্যামনগরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগর ফিলিং স্টেশনের তেলবাহী গাড়ি আটকানোর ঘোষণা,নিরাপত্ত্বার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে আসাদুজ্জামান মিঠু’র ‘অবৈধ দখল’ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তি সংকটে শ্যামনগরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তিভোগী মহলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে হামলা, মা-মেয়ে আহত শ্যামনগরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

নোয়াখালীতে মুক্ত দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভার আয়োজন 

মোহাম্মদ আবু নাছের,
Update Time : শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

 

 

 

মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী :

 

 

নোয়াখালীতে ৭ ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস উদযাপন করতে নোয়াখালী জেলা সন্তান কমান্ড কাউন্সিল সদর উপজেলা শাখার ব্যানারে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) নোয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল কার্যালয়ে নোয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কার্যকরী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক

সাইফুল ইসলাম রাসেলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ। বক্তব্য রাখেন,মোঃ ইয়াসিন, মোঃ দিদারুল ইসলাম, কাজী ফাহাদ, আবদুর রহিম রাব্বি।

 

আলোচনায় নোয়াখালী মুক্ত স্কয়ারে ৭ ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস উপলক্ষে বিজয় রেলি শেষে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা আয়োজনের বিষয় চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। অংশ গ্রহণ করেন

চাটখিল উপজেলা শাখার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের মোঃ মোজাম্মেল হোসেন দুলন।

 

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ৭ ডিসেম্বর একাত্তরের এদিন ভোরে বৃহত্তর নোয়াখালীর মুজিব বাহিনীর প্রধান মাহমুদুর রহমান বেলায়েত এবং সি-জোনের কমান্ডার মোশারেফ হোসেনের নেতৃত্বে জেলা শহর মাইজদী আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। একযোগে তারা তিনটি রাজাকার ক্যাম্প দখল করে। আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানীদের এদেশীয় দালাল রাজাকাররা। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধের মুখে অবস্থা বেগতিক দেখে নোয়াখালী পিটিআই’র ট্রেনিং সেন্টার থেকে তড়িঘড়ি করে পালিয়ে যায় পাকিস্তানী সেনারা, শত্রুমুক্ত হয় নোয়াখালী।