শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরের কৃতি সন্তান তরুণ নির্মাতা রাজ্জাক রাজ এর পরিচালনায়  =” বইপোকা সরকারী চাল পেলো সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার আট হাজার তিনশত চব্বিশ জেলে শ্যামনগরে কৃষি প্রণোদনায় ২৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ শ্যামনগরে জমি বিরোধে হামলা: আহত ৪, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ শ্যামনগরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগর ফিলিং স্টেশনের তেলবাহী গাড়ি আটকানোর ঘোষণা,নিরাপত্ত্বার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে আসাদুজ্জামান মিঠু’র ‘অবৈধ দখল’ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তি সংকটে শ্যামনগরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তিভোগী মহলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে হামলা, মা-মেয়ে আহত শ্যামনগরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

শ্যামনগরে চিংড়িঘের নিয়ে জমির মালিকদের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

ভয়েস অফ সুন্দরবন
Update Time : শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন

রিপোর্ট :ভয়েস অফ সুন্দরবন

 

শ্যামনগর উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ি ঘেরের বিরোধ নিয়ে জমির মালিক পক্ষের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বারোটার দিকে উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের চৌমনী মডেল এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন জি এম রবিউল বাশার, হাফিজুর রহমান ,মাখনলাল মন্ডল, মাসুম বিল্লাহ, ইয়াসিন গাজী ,শমসের আলী গাজী ,হাবিবুর রহমান, মোস্তাদুল ইসলাম, নুরুজ্জামান সহ আরো অনেকে।

এ সময় মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে তারা বলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সাত্তার মোড়লের ষড়যন্ত্র ও বিএনপি নেতা আমজাদুল ইসলামের হুমকিতে আজ আমরা চরম বিপদাপন্ন। আমরা উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের ঝাঁপা মৌজাভুক্ত ‘বিসমিল্লাহ-০৩’ নামীয় মৎস্য প্রকল্পের আওতাধীন জমির মালিকগন,

 

আমাদের দখলীয় প্রায় ৪০০ একর জমি বিগত ১৯৯৭ সালে কালিগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মৃত আলহাজ শমসের আলী গাজীর নিকট লীজ প্রদান করি। পরবর্তীতে উক্ত সমশের আলী তারই পরিচিত বন্দকাটি গ্রামের আব্দুস সাত্তার মোড়লকে যৌথভাবে অংশীদার হিসেবে নিযুক্ত করে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করে। তারপর থেকে অর্থাৎ ১৯৯৭ সাল থেকে শমসের আলী গাজী ও সাত্তার মোড়ল দুই নামে জমি মালিকদের সাথে মৎস্য প্রকল্পের চুক্তিপত্র দিয়ে আসছে। তবে ২০২০ সালের দিকে সমশের আলী গাজীর মৃত্যুর পরে উক্ত ঘের পরিচালনার দায়িত্ব সাত্তার মোড়লের উপর বর্তায়। সেই কারনে সাত্তার মোড়ল এবং সমশের আলী গাজীর নামে বর্তমান ২০২৪ সাল পর্যন্ত জমির ডিড রয়েছে।

 

এমতাবস্থায় আর্থিক অনটনের মধ্যে অসংখ্য স্থানে দৌড়াদৌড়ির পরও প্রতিকার না পেয়ে আব্দুস সাত্তারের এক নামে আমরা ডিড প্রদানে বাধ্য হই। আর ঐ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সুচতুর আব্দুস সাত্তার মোড়ল পরক্ষনে মুল উদ্যোক্তা মরহুম শমসের আলী গাজীর ছেলেদের প্রাপ্য না মিটিয়ে তাড়িয়ে ও হেকে দেয়। পরবর্তীতে আব্দুস সাত্তারের চাতুরতা বুঝতে পেরে বিষয়টি নিয়ে আমরা জমি মালিকগন বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানায়। একপর্যায়ে প্রাপ্য হারীর টাকা বুঝে পেয়ে ২০২৩ সালের জন্য শমসের আলী গাজীর ছেলেদের নামে আমরা আমাদের প্রায় ৪০০ একর জমি ডিড দিয়েছি। যদিও ঝাঁপা মৌজাভুক্ত উক্ত মৎস্য প্রকল্পের মধ্যে মরহুম সমশের আলী গাজীর নিজস্ব জমিও আছে।

 

আমরা জমির মালিকগণ উক্ত সাত্তার মোড়ল এর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জমি ও পাচ্ছে না এবং হারির টাকাও পাচ্ছিনা, বর্তমানে সাত্তার মোড়ল উক্ত ঘেরটি স্থানীয় চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলামের উপর দায়িত্ব অর্পণ করিলে চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম আমাদেরকে নানাভাবে ঘের থেকে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে এবং হারির টাকা দিচ্ছে না। আমরা দ্রুত প্রশাসনের মাধ্যমে প্রকৃত জমির মালিক হিসেবে উক্ত ঘের টি দখলপূর্বক এবং হাঁরির টাকা বুঝে পেতে পারি সেজন্য প্রশাসনে হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

এদিকে উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম বলেন, আমি ৮০% ঘেরের মালিক, আব্দুস সাত্তারের মোড়লের কাছ থেকে ডিড নিয়ে আমি ঘের করে আসতে ছিলাম, কিন্তু আজ অন্য এলাকার রবিউল বাসার নামে এক ব্যক্তি সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উক্ত ঘের দখলসহ এলাকায় ভীতাশস্ত্র করতে অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে এসেছিল, এবং আমার ছবিতে করাচ্ছ চিহ্ন দিয়ে মানববন্ধন করায় আমার এলাকার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়েছে। আমি প্রশাসনের হত্যাক কামনা করছি।

##