শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরের কৃতি সন্তান তরুণ নির্মাতা রাজ্জাক রাজ এর পরিচালনায়  =” বইপোকা সরকারী চাল পেলো সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার আট হাজার তিনশত চব্বিশ জেলে শ্যামনগরে কৃষি প্রণোদনায় ২৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ শ্যামনগরে জমি বিরোধে হামলা: আহত ৪, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ শ্যামনগরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগর ফিলিং স্টেশনের তেলবাহী গাড়ি আটকানোর ঘোষণা,নিরাপত্ত্বার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে আসাদুজ্জামান মিঠু’র ‘অবৈধ দখল’ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তি সংকটে শ্যামনগরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তিভোগী মহলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে হামলা, মা-মেয়ে আহত শ্যামনগরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজ, ৪২ ছাত্রছাত্রী আটক

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

রিপোর্ট: স ম জিয়াউর রহমান

 

 

ভৈরবে অবৈধ রেস্টুরেন্ট ও কফি হাউজে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। কাপড় দিয়ে ঘেরা এসব রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজের অভিযোগে ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরে অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে উপজেলার মানিকদী ও কুলিয়ারচর সংযোগ জিল্লুর রহমান সেতু এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার জিল্লুর রহমান সেতু সংলগ্ন মানিকদী এলাকার ৮টি রেস্টুরেন্টে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তথ্য ছিল- শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে এসব রেস্টুরেন্টে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে। সেনাবাহিনী রেস্টুরেন্টগুলোতে গিয়ে এর সত্যতা পায়। ওখানে প্রতিটি রেস্টুরেন্টের প্রতিটি কক্ষ কাপড় দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ছিল। এ সময় অনৈতিক কার্যকলাপরত অবস্থায় ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে এনে তাদের সন্তানরা যে ভুল পথে এগোচ্ছে তা তাদের অবগত করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা আটককৃত ছাত্রছাত্রীদের জীবন-জীবিকা সম্পর্কে বাস্তবতা নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা কখন কোথায় যাচ্ছে তা আমাদের নজর রাখতে হবে। রেস্টুরেন্টগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের দেখে আমি অবাক হয়েছি। ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকসহ সবার মুচলেকা গ্রহণ করে তাদের অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করেছি। এছাড়াও রেস্টুরেন্ট মালিকদের পরবর্তীতে এ ধরনের কোনো অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া রেস্টুরেন্ট মালিকদের পর্দা ব্যবহারে বিধিমালাও প্রদান করা হয়েছে। এ সময় অপ্রয়োজনীয় ও অনৈতিক কার্যকলাপে ব্যবহৃত পর্দাগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।