বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে আসাদুজ্জামান মিঠু’র ‘অবৈধ দখল’ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তি সংকটে শ্যামনগরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তিভোগী মহলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে হামলা, মা-মেয়ে আহত শ্যামনগরে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি কোডেক এর উদ্যোগে শ্যামনগরের মানুষ পেল বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ বনদস্যু আতঙ্ক নিয়ে মধু আহরণে সুন্দরবনে যাচ্ছেন মৌয়ালরা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চলছে খোলপেটুয়া নদীর চর অবৈধ দখল ও ভরাট সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস ও মালামাল জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড যাত্রা শুরু হলো কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটি ( Cys) নামীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের  শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার, পারিবারিক কোন্দলে হত্যা কি না তদন্ত চলছে: এসপি হারুন

Reporter Name
Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড পাইনাদী সিআই খোলা এলাকায় নিজ বাসায় মা ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারী হলেন, নাজমীন আক্তার (২৮), মেয়ে নুসরাত (৮), খাতিজা (২) এবং মুমূর্ষ অবস্থায় সুমাইয়া (১২) নামের আরেক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিআই খোলা আনোয়ারের বাড়ীর ৬ তলার ভবনের ৬ তলা একটি ফ্ল্যাটে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আনোয়ারের বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবৎ সুমন তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতো। তার রাত্রিকালিন ডিউটি শেষ করে সকালে বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত নাজনীন আক্তারের স্বামী মোঃ সুমন সানারপার জোনাকি পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত নাজমীনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক রয়েছ।
জানা যায়, আব্বাস মাদকাসক্ত। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশীদসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । হত্যাকান্ডের আলামত সংগ্রহ করতে পিবিআই এবং ঢাকা থেকে সিআইডির ফরেনসিকের বিশেষজ্ঞ টিমও আসেন। পারিবারিক কলহের কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তার তদন্ত করছে পুলিশ।


নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, পারিবাারিক কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়, পরে আব্বাসের স্ত্রী নিহত ছোট বোন নাজমীনের বাসায় চলে আসে। ঘটনার দিন আব্বাসের স্ত্রী ইয়াসমিন সকালে গামেন্টসে চলে যাওয়ার পর আব্বাস নাজমীন এর বাসায় আসে। এর পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এই সূত্র ধরেই হত্যা কান্ডটি হতে পারে। আব্বাস পলাতক রয়েছে তবে অতিদ্রুত আব্বাসকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সত্যতা এবং বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।