রিপোর্ট: ভয়েস অফ সুন্দরবন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী। সেই লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা দলগুলো সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা ৪ আসনের বিএনপি মনোনিত প্রার্থী জনাব ড. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা করেছেন শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি'র বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জনাব শফিকুল ইসলাম দুলুর সভাপতিত্বে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জনাব হাফিজ আল আসাদ কল্লোলের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাতক্ষীরা ৪ আসনের নমিনি জনাব ড.মনিরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সদস্য জনাব এ্যাড.আশেক এলাহি মুন্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি প্রফেসর আবু সাঈদ, সাবেক সহ সভাপতি ও গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব মাসুদুল আলম, আটুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জনাব মিঠু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জনাব আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর, সিনিঃ যুগ্ম আহবায়ক জনাব নাজমুল হক, মশিউর রহমান বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক জনাব জুলফিকার সিদ্দীক, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি জনাব রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি জনাব হাবিব হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন খাঁন, উপজেলা তাতিদলের সভাপতি জনাব আব্দুল হালিম, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক জনাব মোঃ নুরুজ্জামান, উপজেলা জাসাসের সাবেক সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা জেলা সাইবার দলের সহ সভাপতি জনাব মোঃ রাইহানুল ইসলাম, জাসাসের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির লিটন, ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম আবু, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিঃ যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা, কলেজ ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ মাসুদ পারভেজ টোকন, যুবদল সদস্য মোমিনুর রহমান, আল আমিন সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। দীর্ঘ আলোচনায় নেতৃবৃন্দ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। নিজ দলীয় প্রতিক ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতে কি কি করনীয় সেসব বিষয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন “এবারের নির্বাচন অত্যান্ত কঠিন হবে। সে লক্ষ্যে কোন কালক্ষেপন না করে কাজে নেমে পড়তে হবে। এই সাতক্ষীরা ৪ আসনে ধানের শীষের বিজয় অর্জন করতে হবে ইনশাআল্লাহ” প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনোনীত প্রার্থী ড. মনিরুজ্জামান বলেন আমরা “এই আসন জনাব তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের ব্যাপক কাজ করতে হবে, ভোটারের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে, ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে হবে, তবে আমাদের সব পরিকল্পনা ও কাজ হবে নির্বাচনী আচারণ বিধি মেনে। এবং লক্ষ্য রাখতে হবে কোনভাবেই কেউ বা কোন পক্ষ যেন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ না করতে পারে।” তিনি কিভাবে নির্বাচনের মাঠে কাজ করবে অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সে বিষয়ে নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে সকল দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ, মনোনয়ন জমা ও যাচাই বাছাই শেষ হয়েছে। চুড়ান্ত বৈধ প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবার পরে প্রার্থীরা জোরেশোরে তাদের নির্বাচনী সকল প্রস্তুতি সারছেন। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় দল বিএনপি ও তার জোট শরিকরা ভোটযুদ্ধে নামবে। এছাড়াও অন্যান্য রাজনৈতিক দল যেমন জামায়াতে ইসলামী এবং তদের ১০ দলীয় জোট ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলও ভোটযুদ্ধে নামবে।