শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, প্রেসক্রিপশন ছেঁড়ার অভিযোগ দলিত নারী ও কিশোরীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিন বেকারিকে জরিমানা, নষ্ট করা হলো মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য শ্যামনগরে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগর নাগবাটিতে মসজিদের পুকুর দখল করার পায়তারা ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কালভার্ট নির্মাণে চরম গাফিলতি: কাদায় নাকাল ৩ গ্রামের মানুষ, ব্যাহত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শ্যামনগরে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মাছের খাদ্য ও চারা বিতরণ সংবাদ সম্মেলনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংক শ্যামনগর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা জালালাবাদে মিথ্যা মামলায় অসহায় পরিবার আদালতের কাঠগড়ায়। 

মোঃ শিহাব উদ্দিন 
Update Time : শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

 

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,

 

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামে মিথ্যা মামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

মামলা সুত্রে জানাযায়, বাদী তেতুলিয়া গ্রামের ইব্রাহিম শেখের ছেলে সাবেক পুলিশ সদস্য মফিজুর রহমান পারিবারিক প্রত্রিক সম্পতি আত্বসাৎ করার জন্য পরিবারের জাকিয়া বেগম,দুলু শেখ, কালা মিয়া শেখ, নয়ন শেখ,লাবন্য,ডেইজি ও তিশাকে আসামী করে বাড়ী ঘর ভাংচুর ও লুট পাটসহ বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি গোপালগঞ্জ সদর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে নির্দেশ দেয় ।

পরে মামলাটি গোপালগঞ্জ সদর থানার এস আই শাহাদত হোসেন তদন্ত করেন।

মামলার আর্জিতে হুবহু যা লেখা আছে ব্যাক্তিগত ভাবে লাভবান হয়ে তিনি সকল আসামীকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।

বাদীর মনোনিত ৫ জন স্বাক্ষীর মধ্যে নিজের স্ত্রী মারুফা খানম ছাড়া বাকী ৪ জন মামলা বা ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেনা বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে মামলার আসামীরা জানান,আমদের পারিবারিক সম্পতি দখল করার জন্য সাবেক পুলিশ সদস্য মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানী করছে । মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাদের কাছে আসে নাই, এ বিষয়ে আমরা কিছু জানিনা । গ্রামের কোন লোক বা মামলা স্বাক্ষীরা যদি বলতে পারে এমন কোন ঘটনা ঘটেছে তা হলে সব কিছু মাথা পেতে নিব। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে । তদন্ত কর্মকর্তা একটি মিথ্যা মামলাকে সত্য বানিয়ে পুলিশ হয়ে পুলিশের পক্ষ নিয়ে তদন্ত রিপোর্ট দিয়েছে। পুলিশ সাধারন মানুষের আস্তার জায়গা হারিয়ে ফেলছে । ব্যাক্তিগত ভাবে লাভবান হয়ে মিথ্যা মামলা সত্য বানিয়েছে । আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম ।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সিআর ৬৭৫/২৪ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শাহাদত হোসেন জানান, মামলার স্বাক্ষীদের সাথে কথা বলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে । তবে এলাকাবাসীর সাথে মামলা সংক্রান্ত কোন আলোচনা করা হয়নি।

মামলার বাদীর মনোনিত ৫ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ৪ জন কিছুই জানেনা এমনকি এলাকাবাসী বলছে নাটক সাজিয়ে মামলা দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান স্বাক্ষীরা যা বলেছে সে মোতাবেক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে ।