শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
শ্যামনগরে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন অগ্রিম প্রস্তুতি  আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটির বল বিতরণ শ্যামনগর গোপালপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন শ্যামনগরে কৃষি পুনর্বাসন প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নারিকেলের চারা বিতরণ শ্যামনগরে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন (জুন-২০২৬) উপলক্ষ্যে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত অবৈধ দখলমুক্তির দাবিতে চালিতাঘাটা হাট বাজারে মানববন্ধন শ্যামনগরে বর্ষীয়ান জননেতা আলহাজ্ব মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ স্যারের সম্মানে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কোস্টাল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে শ্যামনগরে ফুটবল প্রিয় যুবকদের মাঝে বল বিতরণ করা হয়েছে  গরিবের আশ্রয়স্থল মানবিক চিকিৎসক: ডা. শাকিরের ব্যতিক্রমী সেবা শ্যামনগরে আলোচিত শ্যামনগরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারকে ইউনিসেফের সহায়তায় ফ্যামিলি কিট বিতরণ
এইমাত্র পাওয়া:
চোখ রাখুন

পেট্রাপোলে সোনার বারসহ ভারতীয় ট্রাক চালক আটক

মনির হোসেন
Update Time : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন

 

 

 

 

 

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি :- বেনাপোল স্থল বন্দরের ওপারে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ২৩৪ গ্রাম

ওজনের ২টি সোনার বারসহ শহিদুল নামে এক

ভারতীয় ট্রাক চালক আটক হয়েছে।

 

মঙ্গলবার ১৭সেপ্টেম্বর তিনি বেনাপোল স্থল বন্দরে আমদানিকৃত পণ্য খালাস শেষে তার চালিত পণ্যবাহী ট্রাক (ডব্লিউ বি ৭৮-৬০৬৪) নিয়ে ভারতে ফেরার পথে পেট্রাপোল বন্দরে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র তল্লাশীতে আটক হয়।

 

সোনার বার দুইটি কালো টেপ দিয়ে সাদা কাগজে মোড়ানো অবস্থায় ট্রাকের কেবিনের ভিতর লুকানো ছিলো। যার মূল্য আনুমানিক সাড়ে ১৭ লাখ টাকা ।

 

জানা যায়, আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাকটি গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২১ হাজার কেজি আপেল নিয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। যার মেনিফিস্ট নাম্বার- ৬০১২০২৪০০১০০৫৬০৭৫, আমদানিকারক ঢাকা বাণিজ্যলয়। এপারের সিএন্ডএফ মেসার্স জারিন এন্টারপ্রাইজ। যার প্রতিনিধি ছিলেন শামিম গাজী। পণ্য চালানটির ভারতের রপ্তানিকারক এইচ এম ইন্টার ন্যাশনাল এবং সিএন্ডএফ ছিলেন একই প্রতিষ্ঠান। যার প্রোপ্রাইটর ফিরোজ।

 

এ বিষয়ে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী ফোনালাপের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি খুব আক্ষেপ করে বলেছেন, বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ সক্রিয় থেকে এ ধরণের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। ওই চক্রটি খুবই হিংস্র। তারা ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপারদের নানা ধরণের ভয়ভীতি দেখিয়ে এ সকল কাজ করাচ্ছে। তাদের কাছে ভারতের ড্রাইভার-হেলপাররা সুরক্ষিত নয়।

 

তিনি আরও জানান, বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি গেটে স্ক্যানিং মেশিন অচল থাকায় প্রতিনিয়ত চক্রটি চোরালান কার্যক্রম জোরদার করেছে। ভারত সীমান্তে বিএসএফ সদস্যরা সর্বদা সজাগ থাকায় মাঝে মধ্যে কিছু সোনার বার আটক হচ্ছে। তাতে, বাংলাদেশ সীমান্তে এ অবস্থা চলতে থাকলে আর এ সকল অবৈধ সিন্ডিকেট চক্রদের রোধ করতে না পারলে দু’দেশের ব্যবসা টিকিয়ে রাখা খুবই কষ্ট হয়ে যাবে।#